The Sangbad · সাধারণ
চট্টগ্রামে খুলছে বন্ধ থাকা দুই ঐতিহাসিক জুট মিল
২৪/১০/২০২৬

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক বন্ধ আমিন জুট মিলস ও এশিয়াটিক কটন মিলস পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের মাধ্যমে মিল দুটি চালু করে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চারের লক্ষ্য প্রকাশ করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মিল দুটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম এই আশাবাদের কথা জানান।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী আমিন জুট মিলস ও এশিয়াটিক কটন মিলসের সার্বিক বর্তমান অবস্থা, বিদ্যমান অবকাঠামো, উৎপাদনক্ষমতা ও উন্নয়নের নানা সম্ভাবনা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মিল দুটির বর্তমান চিত্র ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে এই মিলগুলো আবার চালু করা। মিলগুলো সচল হলে স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে।'সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মো. শরিফুল আলম বলেন, বন্ধ থাকা পাটকল ও বস্ত্রকলগুলো পুনরায় চালু করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি। এসব শিল্পকারখানাকে সচল করার মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।তিনি আরও বলেন, 'শিল্পকারখানাগুলোকে কেবল অবকাঠামোগত স্থাপনা হিসেবে দেখলে চলবে না; এগুলোকে উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কার্যকর কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। এজন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি।'পাটশিল্পের সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে পাটজাত পণ্যের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন এবং দেশের রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗