২ কোটি ৬৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৯৮। ষষ্ঠী থেকে দশমী। এই ছয়দিনে (অধিক সপ্তমী ধরে) বিপুল সংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেছন শিয়ালদহ ডিভিশনে। শিয়ালদহ, দমদম, বিধাননগর রোড, সোনারপুর, বালিগঞ্জ, রানাঘাট ও কল্যাণী স্টেশনে ভিড় চমকে দিয়েছে আধিকারিকদের। গত বছরের তুলনায় শিয়ালদহ ডিভিশনে যাত্রীসংখ্যা প্রায় ৩৩.৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানাল রেল। এতে বিপুল লক্ষ্মীলাভ হয়েছে রেলের। হিসাব রেলের তরফে প্রকাশ করা না হলেও, সেই সংখ্যাটা বিপুল বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহল।
বাঙালির প্রাণের পুজো দুর্গাপুজোয় ভিড় সামাল দিতে ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ২৬৬টি বিশেষ ট্রেন চালায় শিয়ালদহ ডিভিশন। তাতে লক্ষ লক্ষ বলা ভালো কোটি কোটি যাত্রী সুষ্ঠুভাবে গন্তব্যে পৌঁছতে পেরেছেন বলে দাবি করেছে রেল। শিয়ালদহ ডিভিশন জানিয়েছে, এবছর কল্যাণীতে যাত্রীসংখ্যা প্রায় ১৪.০১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য জংশন স্টেশনগুলিতেও ভিড় ছিল অনেক।
বিপুল ভিড় নিয়ন্ত্রণে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছিল রেল। শিয়ালদহের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনার নেতৃত্বে কমার্শিয়াল, অপারেটিং, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স, মেডিক্যাল ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা ট্রেন চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকে সর্বদা তাঁদের তীক্ষ্ণ নজর রেখেছিলেন। যাত্রীদের সঠিক পথে পরিচালিত করা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য রেলকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের বিভিন্ন স্টেশনে মোতায়েন করা হয়েছিল। পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম ও মেগাফোনের সাহায্যে যাত্রীদের সতর্ক ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনাল ওয়ার রুম থেকে ধারাবাহিক নজরদারি চালানো হয়েছিল।
