কলকাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের ভার কমাতে নয়া উদ্যোগ। কেন্দ্রীয় সরকারের তৎপরতায় হুগলির বলাগড়ে মিনি বন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার মিনি বন্দরের সংযোগকারী রাস্তা ও ব্রিজের ভূমিপুজো হল। উপস্থিত ছিলেন বলাগড়ের বিধায়ক তথা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার, লকেট চট্টোপাধ্যায়, হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদারি, পূর্ত ও পোর্ট ট্রাস্টের আধিকারিকরা। মিনি বন্দরের হাত ধরে কর্মসংস্থান বাড়বে, সেই আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।
১৯৯৬ সালে সিইএসসি বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার জন্য জমি নিয়েছিল। সেই সময় পোর্ট ট্রাস্টের তরফেও কিছু জমি নেওয়া হয়। হুগলির বলাগড়ের শ্রীপুর চরের ওই জমিতেই তৈরি হচ্ছে মিনি বন্দর। ৫৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তৈরি হবে ৪ কিলোমিটার সংযোগকারী রাস্তা, ব্রিজ, পোর্ট টার্মিনাল এবং দু’টি জেটি। আগামী ২ বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলেই জানিয়েছেন আধিকারিকরা। গত জানুয়ারি মাসে সিঙ্গুরে এসে মিনি বন্দরের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিনি বন্দর চালু হলে প্রত্যক্ষভাবে ১ হাজার ৫০০ জন মানুষ চাকরি পাবেন। মিনি বন্দরের পাশাপাশি অনুসারী শিল্প গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও প্রবল। তার ফলে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ কাজের সুযোগ পাবেন।
বিধায়ক তথা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার বলেন, “এটা আমাদের কাছে বড় পাওয়া। প্রধানমন্ত্রী নিজে শিলান্যাস করেছেন। আগামী দু’বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে। কর্মসংস্থান হবে। বলাগড়ের সকলে খুবই সহযোগিতা করছেন।” হুগলির প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এদিন ভূমিপুজোয় অংশ নেন। তিনি বলেন, “নতুন সরকারের বয়স এখনও ৬ মাসও হয়নি। তার আগেই ৫৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কাজ হচ্ছে। বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। রেল, জলপথ এবং সড়কপথেরও উন্নতি হবে।” মিনি বন্দর তৈরি হলে এই জেলার আরও উন্নতি হবে বলেই আশা জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি। দেবীপক্ষে মিনি বন্দরের সংযোগকারী রাস্তা ও ব্রিজের ভূমিপুজোয় খুশি স্থানীয়রা।
