ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী এ কে রিপাত জানান, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে চারজনকে আসামি করে তিনি নিজেই থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহেশখালী থানার এসআই ইকবাল জানান, এজাহারের ভিত্তিতে বাকি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মহেশখালীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে সংবাদকর্মী ও মহেশখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে রিপাতের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চারজনকে আসামি করে থানায় এজাহার দায়ের পর তা নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে মহেশখালী পৌরসভার চরপাড়া এলাকায় শ্রমিক দলের সভাপতির কার্যালয়ের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় সংবাদকর্মী রিপাতকে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সংবাদকর্মী এ কে রিপাতের সঙ্গে তাঁর দুলাভাই মৌলানা মোজাম্মেল হকের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রবিবার রাতে পৌরসভার চরপাড়ায় মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে তিন-চারজন মিলে রিপাতের ওপর হামলা চালান।
ঘটনার পরপরই মহেশখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক ইকবাল জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে পারিবারিক বিরোধের জেরে রিপাতের বোনের স্বামী ও ভাগনে এই হামলা চালিয়েছেন এবং বিষয়টি বিস্তারিত জানতে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মহেশখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজ সিকদার জানান, পৌর সদরে সংবাদকর্মী রিপাতের ওপর হামলার খবর পেয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতানের নির্দেশনায় এসআই ইকবালের নেতৃত্বে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে।
এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতান জানান, সংবাদকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় চারজনকে আসামি করে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত এজাহারনামীয় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মৌলানা মোজাম্মেল হক ও তাঁর ছেলে এরফানুল হক তুহিন।
ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী এ কে রিপাত জানান, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে চারজনকে আসামি করে তিনি নিজেই থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহেশখালী থানার এসআই ইকবাল জানান, এজাহারের ভিত্তিতে বাকি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
