বিমানবন্দরে পণ্য আসার পর তা ডাক বাছাই কেন্দ্র ও রেলপথ হয়ে চট্টগ্রামে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। কমলাপুর রেলওয়ে ফরেন পোস্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে আমদানি-নিষিদ্ধ ক্রিম ও ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দের পর এমন তথ্য পেয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
মঙ্গল ও বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও কমলাপুরে পৃথক অভিযানে এসব পণ্যের পাশাপাশি ভায়াগ্রা ও ইনসুলিনসহ ওষুধ, বিদেশি সিগারেট, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও মদ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ১০০ টাকা।
বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ফরেন পোস্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৭৮৭ পিস আমদানি-নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম ও ৩১টি ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। পণ্যগুলো বিমানবন্দরের ডাক বাছাই কেন্দ্র ও কমলাপুরের আরএমএস সেন্টার হয়ে চট্টগ্রাম জিপিওতে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল।
পরদিন ১৪ অক্টোবর ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের ইটি৬৮০ ফ্লাইটের যাত্রী জাহাঙ্গীরের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ভায়াগ্রা ও ইনসুলিনসহ প্রায় ৫৫ কেজি ওষুধ জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া দুই দিনের অভিযানে বিভিন্ন ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ ও পরিত্যক্ত কার্টন থেকে ৫৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ১০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার, ৩২টি ল্যাপটপ, তিনটি মোবাইল ফোন, ৬৪ দশমিক ১৮ কেজি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম, ৬৮ কেজি অন্যান্য কসমেটিকস এবং ১৭ লিটার মদ ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় জব্দ করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বলছে, চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে বিমানবন্দর, ডাক বাছাই কেন্দ্র ও রেলপথে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
The post ডাক-রেল হয়ে চট্টগ্রামে আসছিল নিষিদ্ধ পণ্য appeared first on সুপ্রভাত বাংলাদেশ.
