বিয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্র বা পাত্রী খুঁজছেন, অথচ বার বার কোনও না কোনও কারণে আটকে যাচ্ছে সম্পর্ক? কখনও সম্বন্ধ এগিয়েও শেষ মুহূর্তে ভেঙে যাচ্ছে, আবার কখনও মনের মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবারে বিয়ের জন্য চাপ বাড়ছে, কিন্তু কিছুতেই মিলছে না সমাধান। বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, জন্মছকে গ্রহের অবস্থান ও দশার প্রভাবের কারণে বিয়ে বিলম্ব হতে পারে। এই ক্ষেত্রে শনির প্রভাব, রাহু-কেতুর অবস্থান এবং মঙ্গলের ভূমিকা বাধা তৈরির সম্ভাব্য কারণও হতে পারে। হিসেবে বিবেচিত হয়। কখন কখন হয় এই সমস্যা?
1. শনির প্রভাবে কি বিয়েতে দেরি হয়?
শনি দেবistock
জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিকে কর্ম, দায়িত্ব, ধৈর্য ও শৃঙ্খলার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জন্মছকে শনির প্রভাব সপ্তম ভাবে পড়লে অথবা সপ্তম ভাবের অধিপতি গ্রহের সঙ্গে শনির প্রতিকূল সম্পর্ক থাকলে বিয়েতে বিলম্ব হতে পারে। তবে শনির প্রভাব মানেই বিয়ে হবে না, এমন ধারণা সঠিক নয়। বরং এই গ্রহের প্রভাবকে পরিণত বয়সে দায়িত্বশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হয়।
2. রাহুর প্রভাবে তৈরি হয় সিদ্ধান্তহীনতা?
রাহুAI
বৈদিক জ্যোতিষ অনুসারে, রাহুর প্রভাবের কারণে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত প্রত্যাশা কিংবা সিদ্ধান্তহীনতা তৈরি হতে পারে। ফলে পছন্দের মানুষকে নিয়ে সংশয়, পরিবারের সঙ্গে মতবিরোধ অথবা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ার মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। তবে বাস্তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যোগাযোগের অভাব, মানসিক প্রস্তুতির ঘাটতি ও পারস্পরিক প্রত্যাশার অমিলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
3. কেতুর প্রভাবে সম্পর্ক নিয়ে অনীহা?
কেতুAI
জ্যোতিষ ব্যাখ্যায় কেতুকে বৈরাগ্য ও বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। জন্মছকে কেতুর প্রতিকূল প্রভাব থাকলে উপযুক্ত সম্বন্ধ পাওয়া সত্ত্বেও কেউ কেউ সম্পর্কের বিষয়ে দ্বিধায় ভুগতে পারেন বলে মনে করা হয়। বিয়ের প্রতি অনীহা, সিদ্ধান্তহীনতা হতে পারে।
4. মঙ্গলের প্রভাবে বাড়তে পারে মতবিরোধ
মঙ্গল দেবAI
জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে সাহস, শক্তি, রাগ ও উদ্যমের সম্পর্ক রয়েছে। জন্মছকে মঙ্গলের প্রতিকূল অবস্থান বা মাঙ্গলিক দোষের প্রভাব থাকলে সম্পর্কে মতবিরোধ, তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া কিংবা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বিবাদ বাড়তে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। তবে মাঙ্গলিক দোষ রয়েছে মানেই বিয়েতে বাধা আসবে, এমন নয়।
