আর কতদিন ব্রাত্য থাকতে হবে মহম্মদ শামিকে? নির্বাচক বদলে যায়, প্রতিপক্ষ বদলে যায়। তবু দলে ফেরা হয় না শামির। ঘরোয়া ক্রিকেটে আগুন ঝরানো পারফরম্যান্স। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা হল না বঙ্গ পেসারের। কেন? বোর্ডের নির্বাচক ও গৌতম গম্ভীরের টিম ম্যানেজমেন্ট সেই পুরনো যুক্তিই দিচ্ছেন।
১৯ নভেম্বর থেকে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ শুরু। অনেকেই আশা করেছিলেন, শামিকে এই সিরিজে দেখা যাবে। অজিত আগরকর সরে যাওয়ার পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন ভুবনেশ্বর কুমার। কিন্তু শামির কামব্যাক হল না। কেন? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ক্রীড়া সাংবাদিক এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের মহম্মদ শামির ফিটনেসের উপর কোনও ভরসা নেই। সে তিনি যতই তিনি রনজি ট্রফিতে খেলুন না কেন। তাঁদের মতে শামি দীর্ঘ স্পেলে বল করতে পারবেন না। সেই কারণে তাঁরা তরুণ পেস বিভাগ নিয়ে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছেন।’
কিউয়ি সিরিজে ভারতের পেস বিভাগে আছেন জশপ্রীত বুমরাহ, আকাশ দীপ, মহম্মদ সিরাজ ও অংশুল কাম্বোজ। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ খেলতে পারবেন কি না, তা ফিটনেসের উপর নির্ভর করবে। আকাশ দীপ বহুদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। এখন রনজিতে খেলছেন। অংশুল কাম্বোজের পারফরম্যান্স খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। সব মিলিয়ে সেই বুমরাহ-সিরাজই ভরসা। সেক্ষেত্রে কি শামি জায়গা পেতে পারতেন না। গতবার রনজি সেমিফাইনালে ৮ উইকেট তুলেছেন। মোট ৭ ম্যাচে তুলেছেন ৩৭টি উইকেট। বিজয় হাজারে ট্রফিতে তুলেছেন ১৫টি উইকেট। এবারও রনজিতে ৩৫ ওভার বল করে ৫ উইকেট তুলেছেন। তারপরও ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন কীভাবে ওঠে?
কিছুদিন আগে শামি নিজেই বলেছিলেন, “লোকে নিজের মতো করে মন্তব্য করতে ভালোবাসে। কেউ বলে আমি ছন্দে নেই। কেউ বলে ফিট নই। কিন্তু এ সব নিয়ে আমি একেবারেই চিন্তিত নই। মাঠে নেমে সুযোগ পেলেই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। বাকিটা আপনাদের ব্যাপার।”
