পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল ভৌগোলিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত 'ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লাইভলিহডস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট ইন দ্য চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস সেক্টর প্রজেক্ট' শীর্ষক প্রকল্পের এক পর্যালোচনাসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমানভাবে সঙ্গে নিয়ে একটি সম্পূর্ণ বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রশাসনে কর্মচাঞ্চল্য ও সুশাসন নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি। একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের ভূমিকা অপরিসীম বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
একই অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, সরকারি অর্থায়নে যেসব উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের অর্থে গৃহীত প্রকল্প যেন শতভাগ কার্যকর হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।
পাহাড়ি এলাকার মৌলিক সংকট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীদের প্রধানতম সমস্যাগুলোর একটি হলো সুপেয় পানির তীব্র সংকট। এই এলাকার ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দ্রুত সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ ও তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন তিনি।
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের আধার পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন এবং স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সার্বিক জীবনযাত্রার মান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
