Published on
:
2 min read
‘বিগ বস’-এর ঘরে তাঁর তৈরি গান মন ছুঁয়েছিল দর্শকের। রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল ঝিলম গুপ্তর কণ্ঠে ডিজে মাউস থেকে আগমনীর গান। তবে হঠাৎই মাঝপথে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন ঝিলম। শরীর খারাপ নিয়েও পুজোয় ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখেছেন তিনি। তবে এ বার সুখবর ভাগ করলেন ঝিলম।
একটি ভিডিয়োয় ঝিলম বলেছেন, ‘গত কয়েক মাস ‘বিগ বস’ বাংলায় দেখেছেন স্টার জলসায়। এবং যে ভালোবাসা আপনারা আমায় দিয়েছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আপনারা যেহেতু আমার বৃহত্তর পরিবার তাই আপনাদের জানাই, আমি ভিডিয়ো করার খুব চেষ্টা করেছি। হয়তো একখানা করব, চেষ্টায় আছি। কাজের কথা চলছে। কিন্তু আগামী সপ্তাহে আমার অপারেশন। অনেকেই আমায় পুজোয় বিভিন্ন প্যান্ডেলে দেখেছেন, ছবি তুলেছেন, কথা বলেছেন। আমার বন্ধুদের সঙ্গে আমায় দেখেছেন। কিন্তু অতটুকুই। না আমি খুব ভালো করে কিছু খেতে পেরেছি, না কিছু। যে ডাক্তারবাবুকে আমি দেখাই স্বাভাবিক কারণেই পুজো তো সকলেরই, তাই আমি তাঁকেও দেখাতে পাড়িনি। চেয়েছিলাম ঠান্ডা মাথায় অপারেশনটা করাতে। যেটা আগামী সপ্তাহে হবে।’
একইসঙ্গে একটি সুখবর ভাগ করে নিয়েছেন ঝিলম। ‘বিগ বস’ বাংলার ঘর থেকে ফিরেই সকলের ভালোবাসায়, অনুপ্রেরণায় একটি গান রেকর্ড করেছিলেন ঝিলম। যে গানটা তিনি গেয়েছিলেন তাঁর সমস্ত হাউজ়মেটদের নাম দিয়ে। ‘এই বাড়িতেও থাকতে এসো মা।’ সেই গানটা সাত লাখের উপর মানুষ শুনেছে কয়েকদিনের মধ্যেই। সেই আনন্দের মাঝেই তাঁর ঝিলম গুপ্ত অরিজিনাল পেজটাও সবেমাত্র এক লাখ সাবস্ক্রাইবের গণ্ডি পেরিয়েছে, সেখানে এই গানটা আপলোড করার পরে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে।
ঝিলমের কথায়, ‘গানটা এতটাই পছন্দ হয়েছিল সকলের, এত ভালোবাসা পেয়েছে যে গোটা ভারতবর্ষে গানের তালিকায় বাষট্টি নম্বরে ছিল। হ্যাঁ, ঠিক শুনছেন। আমাদের দেশে অজস্র বড় বড় শিল্পীরা রোজ গান রেকর্ড করেন। রোজই কিছু না কিছু আপলোড করেন এবং আমরা সেগুলো উপভোগও করি। কিন্তু আমি সাধারণ একজন মানুষ যে গান ভালোবাসে। আমার বন্ধুদেরকে ভালোবেসে আমার এই জার্নিটাকে মানে ‘বিগ বস’ বাংলার জার্নিটাকে স্মরণীয় করে রাখতে গানটা শো থেকে ফিরে রেকর্ড করি। এবং গানটা গোটা আমাদের এত বড় দেশটায় এত বড় শিল্পীদের গানের মধ্যে বাষট্টি নম্বরে ছিল। এটা আমার কাছে অনেক বড় পাওনা। অনেক বড় ট্রফি। অনেক বড় একটা উপহার।’
অপারেশন যাতে সাকসেসফুল হয় তাঁর জন্য সকলের প্রার্থনার অনুরোধ করেছেন ঝিলম। তিনি বলেন, ‘আমি খুব ব্যথার মধ্যে আছি। আমার ছবি, ভিডিয়ো দেখে হয়তো বোঝা যায় না। আমি দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়োটিক এবং ব্যথার ওষুধ সাহায্যেই চলছি। খাবার খুব একটা খেতে পারি না। অনেক রোগা হয়ে গিয়েছি। টিভিতে, ফোনে দেখলে বোঝা যায় না। আমার অনেক ওজন কমেছে। যে কারণে বাড়ির লোক আমায় নিয়ে খুব চিন্তিত। কিন্তু আমি জানি আপনারা পাশে থাকলে আমি ঠিক সুস্থ হয়ে যাব। সকলে পাশে থাকবেন এবং দয়া করে প্রার্থনা করবেন যেন আমি সুস্থ হয়ে আবার কাজে ফিরতে পারি।’
