রামুতে গ্লোবাল ইংলিশ একাডেমির আয়োজনে বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জাতীয় পর্যায়ের বিতার্কিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তা, বাগ্মিতা, বিশ্লেষণী দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত রামু জ্যোতিসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে এ বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মশালায় বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
জ্যোতিসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসিম বড়ুয়া কর্মশালার উদ্বোধন করেন। বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক শান্তা বড়ুয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন। গ্লোবাল ইংলিশ একাডেমির পরিচালক ও প্রধান প্রশিক্ষক এস আই রায়হান কর্মশালাটি পরিচালনা করেন।
কর্মশালায় বিতর্কের মৌলিক ধারণা, নিয়ম-কানুন, যুক্তি উপস্থাপনের কৌশল, বক্তব্য প্রদানের পদ্ধতি এবং প্রতিপক্ষের যুক্তি বিশ্লেষণ করে যৌক্তিকভাবে জবাব দেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিতর্কে অংশগ্রহণের নিয়ম, দলগত সমন্বয়, তাৎক্ষণিক চিন্তাশক্তি এবং প্রতিযোগিতায় ভালো করার কৌশল সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। এতে সংসদীয় বিতর্ক, সনাতনী বিতর্ক, ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি বিতর্ক, অক্সফোর্ড স্টাইল বিতর্ক, উপস্থিত বিতর্ক, ট্র্যাডিশনাল বিতর্ক, লিংকন-ডগলাস বিতর্ক এবং এক্সটেম্পোর বা তাৎক্ষণিক বক্তৃতাভিত্তিক বিতর্কের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিতর্কের বিভিন্ন ধরন, কাঠামো ও উপস্থাপনশৈলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পায়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী আদর বড়ুয়া জানায়, জীবনে প্রথমবারের মতো তারা বিতর্ক সম্পর্কে এত বিস্তারিত জানার সুযোগ পেয়েছে। এ প্রশিক্ষণ তাদের মধ্যে বিতর্কের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন ও বক্তব্য প্রদানের দক্ষতা বিকাশে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষ বিতার্কিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্নও ব্যক্ত করে তারা।
কর্মশালার পরিচালক ও প্রধান প্রশিক্ষক এস. আই. রায়হান বলেন, আমাদের প্রত্যাশা, রামুর মতো মফস্বল এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও একদিন জাতীয় পর্যায়ের দক্ষ বিতার্কিক উঠে আসবে। শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে আমি সম্ভাবনা, আত্মবিশ্বাস ও সফলতার স্বপ্ন দেখেছি। যথাযথ প্রশিক্ষণ, নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তারাই একদিন জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবে এমনটাই আমার বিশ্বাস। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিনির্ভর চিন্তা, শুদ্ধভাবে বক্তব্য উপস্থাপন এবং গঠনমূলক আলোচনার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ ধরনের কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।
প্রতিবাদের সাথে এটাও জোর দিয়ে বলতে হচ্ছে যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিন্দু ছিলেন না। তিনি ব্রাক্ষ্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন। অর্থ্যাৎ তিনি একেশ্বরবাদী ছিলেন। যদি হিন্দুও হন তাহলে তিনি কি পরিত্যাজ্য হবেন? তিনি বাংলা সাহিত্যে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবেন? জাতি বিদ্বেষ যে কোন লেবেলে পৌছেঁ গেছে ভাবা যায়!

