ভারতের আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে বাংলাদেশ, দাবি দিলীপ ঘোষের
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০২:৪২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পঠিত
বাংলাদেশের মন্ত্রীদের ফেসবুক পেজ দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলমান আন্দোলনের পেছনে আসলে কারা জড়িত রয়েছে। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে বিদেশি যোগসূত্রের বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে এমনই মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা এবং পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়ায় একটি সার্বজনীন দুর্গা পূজার উদ্বোধন করতে যান রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। পূজার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। দিল্লিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে প্রচুর পরিমাণে বিদেশি অর্থ বা ফান্ড আসছে বলেও সরাসরি দাবি করেন দিলীপ ঘোষ।
ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) থেকে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রতিবাদ নিয়ে বিজেপি নেতা ও রাজ্য মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, এই আন্দোলন চলতেই থাকবে, কারণ বিরোধীদের কোনো কাজ নেই। তাদের কথা হচ্ছে- রাস্তায় নামো; পূজা আসছে, একটু ঘোরো ও আনন্দ করো; সামনে শীত আসছে, ধরনা দাও। এর বেশিকিছু নয়। আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিদেশ যোগ নিয়ে বলতে গিয়ে সরাসরি বাংলাদেশের মন্ত্রীদের প্রসঙ্গ টানেন দিলীপ ঘোষ। তিনি মন্তব্য করেন, এই আন্দোলনের পেছনে কী উদ্দেশ্য আছে তা স্পষ্ট। আপনি বাংলাদেশের মন্ত্রীদের ফেসবুক পেজ দেখুন, তাহলেই বোঝা যাচ্ছে কারা এর পেছনে আছে। এতদিন যারা পেছনে ছিল, তারা এখন প্রকাশ্যে আসছে। মূলত বিদেশ থেকে যারা এই দেশকে অস্থির করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাদেরই অঙ্গুলি হেলনে তারা (বিক্ষোভকারীরা) এসব করছেন।
কলকাতার রাজপথেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন শুরু হতে যাচ্ছে- সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ ব্যঙ্গ করে উত্তর দেন, এখন তো সারা দেশেই এসব হবে। যেসব রাজনৈতিক দলগুলো আস্তে আস্তে উঠে যাচ্ছে এবং জনগণ যাদের ধীরে ধীরে প্রত্যাখ্যান করে দিচ্ছে, তাদের রাজনৈতিকভাবে দাঁড়ানোর কোনো প্ল্যাটফর্ম নেই। তাই তারা এখন আরশোলার ডানা ধরে ঝুলে থাকার চেষ্টা করছে।
বিদেশি অর্থ দিয়ে ভারতকে অস্থিতিশীল করার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে বলে কঠোর অভিযোগ তুলে এই বিজেপি নেতা আরও বলেন, এই আন্দোলনের উদ্দেশ্যে প্রচুর বিদেশি অর্থ দেশে আসছে। মূলত পার্লামেন্টে যে ‘এফসিআরএ’ বিল আনা হয়েছিল বিদেশি ফান্ডের ওপর কড়াকড়ি ও তা বন্ধ করার জন্য, সেই উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং আন্দোলনকারীদের স্বস্তি দিতেই পরিকল্পিতভাবে এসব আন্দোলন চালানো হচ্ছে।

