ঢাকার ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নে সার ডিলারশিপ পাওয়া নিয়ে কোহিনুর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় ডিলারশিপ প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর দাবি, কোহিনুর অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও তথ্য ঘিরে তাঁকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তাঁদের প্রশ্ন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে সার ডিলারশিপ পেলেন। এ ক্ষেত্রে আমতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির সহযোগিতা ছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন নেতাকর্মী।
এ বিষয়ে সার ডিলার কোহিনুরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখন আমি কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। আপনি পরে আসবেন।”
আমতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম খান লাবু বলেন, “ইতিমধ্যে কোহিনুরকে ডেকে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি যদি আওয়ামী লীগের কোনো পদে থেকে থাকেন, তাহলে তাঁকে ডিলারশিপ ছেড়ে দিতে হবে—এমন কথা বলেছি। সামনে নির্বাচন থাকায় আমাদের দলের ভেতরেও নানা ধরনের মতবিরোধ দেখা দিচ্ছে।”
এদিকে, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের বিএনপি নেতাকর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ বর্তমানে বিএনপির নাম ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা উচিত।
অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন আমতা ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মো. ফারুক হোসেন, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. শাহিন আলম এবং ইউনিয়ন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম। এ সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
তবে কোহিনুরের বিরুদ্ধে ওঠা রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং সার ডিলারশিপ পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
The post ধামরাইয়ে সার ডিলারশিপ নিয়ে বিতর্ক, তদন্তের দাবি বিএনপি নেতাকর্মীদের appeared first on ভোরের চেতনা.
