ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে ‘মাইকোলজি, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা নিজেদের গবেষণাভিত্তিক প্রকল্পের পোস্টার উপস্থাপন করেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ ভবনের ৩৪৪ নম্বর কক্ষে এ সেমিনার ও পোস্টার উপস্থাপনার আয়োজন করা হয়।
বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা জামালের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমতাজ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এছাড়া, বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগের অধ্যাপক ড. সুধাংশু কুমার বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চীনের বেইজিং ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইকোলজি অ্যান্ড নেচার কনজারভেশনের অধ্যাপক ড. হে শুয়াংহুই। রিসোর্স পারসন হিসেবে যুক্ত ছিলেন চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের (সিএএস) ইনস্টিটিউট অব মাইক্রোবায়োলজির সহযোগী অধ্যাপক ড. লিউ শি-লিয়াং।
সেমিনারে আমন্ত্রিত চীনা গবেষকেরা তাদের নিজ নিজ গবেষণার কৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। আলোচনা পর্বে তারা আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে যৌথ গবেষণা পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে, চীনে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এছাড়া, পোস্টার উপস্থাপনা পর্বে বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রকল্পের গবেষণার লক্ষ্য, পদ্ধতি ও প্রাপ্ত ফলাফল পোস্টারের মাধ্যমে মূল্যায়ন কমিটির সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমতাজ হোসেন বলেন, “মাইকোলজি, বায়োটেকনোলজি ও টেকসই পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থাপনা দক্ষতা জোরদার করতে এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন প্রশংসনীয়।”
তিনি বলেন, “প্রকল্পের পোস্টার উপস্থাপনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের একাডেমিক গবেষণাকর্ম তুলে ধরা, গবেষণার ফলাফল বিনিময় এবং বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনা দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পান। একইসঙ্গে, মাইকোলজি, বায়োটেকনোলজি ও টেকসই পরিবেশবিষয়ক গবেষণায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
