জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ও বৈশ্বিক উষ্ণতার বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও জলবায়ু কূটনীতি ও ন্যায্য অর্থপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জনে পিছিয়ে রয়েছে।
- জলবায়ু অর্থায়নের ৫৮ শতাংশই ঋণ, ক্ষতিপূরণ দাবি বাংলাদেশের
- বার্ষিক আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- আওয়ামী লীগ আমলে জলবায়ু অর্থায়ন ঋণের ১৯ শতাংশ লুটপাট করা হয়
জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ও বৈশ্বিক উষ্ণতার বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও জলবায়ু কূটনীতি ও ন্যায্য অর্থপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জনে পিছিয়ে রয়েছে। সম্প্রতি জলবায়ু অর্থায়নের যে বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে, তাতে দেখা যায়- ক্ষতিপূরণ বা সহায়তার বড় অংশই আসছে চড়া সুদের বা শর্তযুক্ত ঋণ হিসেবে। জলবায়ুর কারণে বার্ষিক আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ফলে এর প্রভাবে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ থেকে ২ শতাংশ ক্ষতি হয়। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই ধারা অব্যাহত থাকলে এবং দ্রুত কার্যকর অভিযোজন ব্যবস্থা না নেওয়া গেলে ২০৫০ সাল নাগাদ জলবায়ু ক্ষতির কারণে বাংলাদেশের জিডিপির বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ ২ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত জলবায়ু ক্ষতিপূরণ বাবদ বাংলাদেশ কোনো অর্থ আদায় করতে পারে নি ধনীদেশগুলো থেকে। জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় অর্থায়নের এই ধরন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন পৌঁছানো নিয়ে দেশের পরিবেশবিদ, গবেষক ও নীতিনির্ধারকেরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলার নামে ঋণ গ্রহণের এই সংস্কৃতি দেশের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং দেশীয় জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর প্রাক্কলন অনুযায়ী, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, নদীভাঙন এবং লবণাক্ততার প্রভাবে বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৩ বিলিয়ন থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬ হাজার কোটি থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা) প্রত্যক্ষ আর্থিক ক্ষতি হয়। পরিবেশের সামগ্রিক অবক্ষয় এবং পরোক্ষ প্রভাব বিবেচনায় নিলে এই ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় বাংলাদেশের বার্ষিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ থেকে ২ শতাংশ বিলীন হয়ে যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বাংলাদেশ যে সহায়তা পাচ্ছে, তার বড় অংশই অনুদান নয় বরং ঋণ। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রতি এক মার্কিন ডলার অনুদানের বিপরীতে প্রায় ২ দশমিক ৭০ ডলার ঋণ পেয়েছে। এর মধ্যে অভিযোজন খাতের মোট অর্থায়নের ৫৮ শতাংশই এসেছে ঋণ হিসেবে। অথচ ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের ভূমিকা অত্যন্ত নগণ্য হলেও এর চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে এ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনকালে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জলবায়ু অর্থায়ন, ঋণ বনাম অনুদানের পরিসংখ্যান এবং এ খাতের অর্থ ব্যয় ও অনিয়ম বা লুটপাট সংক্রান্ত তথ্যগুলো গবেষক ও পরিবেশবাদী সংস্থা চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্যে উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও পরিবেশ বিষয়ক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ে জলবায়ু-সম্পর্কিত ঋণের কারণে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের ওপর মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৯.৬১ মার্কিন ডলার, যা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর গড় ২৩.১২ ডলারের তুলনায় প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি। ২০০৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জলবায়ুসংক্রান্ত ঋণের পরিমাণ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায় এবং এই সময়ে শুধু জলবায়ু সম্পর্কিত ঋণ হিসেবেই প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন ডলার অর্জিত বা চুক্তিভুক্ত হয়। জলবায়ু তহবিলের একটি বড় অংশ প্রকৃত জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে ব্যয় না করে এমন সব প্রকল্পে দেখানো হয়েছে যেগুলোর সঙ্গে সরাসরি জলবায়ু অভিযোজনের কোনো মিল নেই। মোট তহবিলের প্রায় ১৯ শতাংশ পর্যন্ত প্রকল্প জলবায়ু অর্থায়ন হিসেবে ভুলভাবে দেখানো হয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ দুই দশকে বাংলাদেশের জন্য যেখানে প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও সহায়তা প্রয়োজন ছিল, সেখানে ২০০৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় দুই দশকে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক উৎস থেকে পেয়েছে মাত্র ১.২ থেকে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের মতো।
ন্যাচার অ্যান্ড গভর্ন্যান্স পলিসি প্ল্যাটফর্ম (এনজিপিপি) গবেষণা অনুযায়ী, জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কেবল অর্থের পরিমাণ নয়; বরং বৈশ্বিক পর্যায় থেকে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থের সুষম বণ্টন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিষেবা সচল রাখা। ‘গোফোরইমপ্যাক্ট’ কর্মসূচির আওতায় সাতক্ষীরা ও নওগাঁ অঞ্চলে পরিচালিত মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের মাত্র ৩৫ শতাংশ পরিবার সারা বছর নিরাপদ পানি পেতে সক্ষম হয়। সুপেয় পানির তীব্র সংকট এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. জাকির হোসেন খান বলেন, “আমার অক্সিজেন দরকার, আমার বিশুদ্ধ পানি দরকার, এ বিষয়ে আমি কোনো আপস করতে পারি না।” জলবায়ু অর্থায়নের ঋণ মওকুফ কোনো বিকল্প নয়, এটি একটি বাধ্যবাধকতা। অর্থ যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায়, সে ব্যবস্থা করার তাগিদ দেন তিনি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির পরিবেশ আন্দোলনের এই নেতা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে জর্জরিত বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক ঋণনির্ভর জলবায়ু অর্থায়ন কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। বিশ্বমঞ্চে জলবায়ু কূটনীতিতে আরও সোচ্চার হয়ে ধনী দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা আদায় করতে হবে। একই সঙ্গে দেশীয় পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করে প্রাপ্ত অনুদান ও অর্থ সঠিক উপায়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে এবং নদী-প্রকৃতি রক্ষায় ব্যয় করতে হবে, তবেই টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
জলবায়ু পরিবেশ গবেষক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদারের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবেলায় শুধু বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। দেশীয় সম্পদ এবং প্রাপ্ত অনুদানের সঠিক ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে টেকসই অভিযোজন কৌশল গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, উপকূলে কৃষি খাতে বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তিনি বলেন, কেবল অনুরোধ-অনুরোধ কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ভূখ- ক্ষয় ও বাস্তুচ্যুতির জন্য দায়ী প্রধান কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালত আইজেসি, আইটিএলওএস এবং জাতিসংঘে ‘আন্তর্জাতিক আইনি দায়বদ্ধতা’ প্রতিষ্ঠার কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।
ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশের শরিফ জামিল বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের নদনদী রক্ষা এবং জলবায়ু অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, স্থানীয় জনসম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো জলবায়ু প্রকল্পই সফল হতে পারে না। যদিও আওয়ামী লীগ আমলের দীর্ঘ সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হলেও তার সঠিক ব্যবহার, সুশাসন এবং স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন সময় গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের শুধু অভিযোজন এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলার জন্যই প্রতিবছর প্রায় ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি) প্রয়োজন। এছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ততার মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে উন্নত দেশগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ও ন্যায়সঙ্গত তহবিল বরাদ্দের জোরালো দাবি জানানো হয়ে থাকে।
সরকারের কূটনৈতিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি জানান, জলবায়ু কূটনীতিতে বাংলাদেশের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ে সরকার আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে জোরালো ভূমিকা রেখে চলেছে। বৈদেশিক অনুদান বৃদ্ধি এবং ঋণচাপ কমানোর বিষয়ে বৈশ্বিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
বেঙ্গল পিস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মাশফিকুল হাসান টনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে মাত্র ০.৬ শতাংশ অবদান রাখলেও মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে। নদীভাঙনে মানুষের ঘরবাড়ি বারবার বিলীন হওয়া এবং কুয়াকাটায় জেলেদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও জমি অধিগ্রহণের ফলে কৃষিজমি ও জীবিকা সংকুচিত হচ্ছে।
সাবেক সিনিয়র কূটনীতিক সাকিব আলীর মতে, বিশ্বমঞ্চে পিছিয়ে থাকা জলবায়ু কূটনীতিকে শক্তিশালী করে ঐতিহাসিক ক্ষয়ক্ষতির অর্থ সরাসরি আদায় করতে বাংলাদেশকে বেশ কিছু কৌশলগত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। আন্তর্জাতিক জলবায়ু ফোরামে বাংলাদেশকে স্পষ্ট দাবি তুলতে হবে যে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ যেন ঋণ হিসেবে না এসে শতভাগ নন-রিফান্ডেবল গ্র্যান্ট (অনুদান) হিসেবে প্রদান করা হয়। কোনো জটিল আমলাতান্ত্রিক শর্ত ছাড়াই সরাসরি বিপন্ন জনগোষ্ঠীর কাছে এই তহবিল পৌঁছানোর মেকানিজম চালু করার জোর দাবি জানাতে হবে।
তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ৪৮টি দেশের জোট ভি২০ এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে জোরালো ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। উন্নত দেশগুলোর (যেমন- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন) প্রতি ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণের দায়িত্ব স্বীকার এবং প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল ছাড় করার জন্য জোটবদ্ধ রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। উন্নত দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানগুলোর (বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ) কাছে বাংলাদেশকে জোরালো প্রস্তাব দিতে হবেÑক্ষতিপূরণের টাকা সরাসরি না দিলে, জলবায়ু ঝুঁকির কারণে নেওয়া পুরোনো আন্তর্জাতিক ঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে অথবা তা জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পে রূপান্তর করতে হবে।
