Published on
:
1 min read
এই সময়: রাজ্যের প্রতিটি থানাকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের গণতান্ত্রিক তৃণমূলের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে––আগেই এই অভিযোগ করেছিল মমতা তৃণমূল। হাইকোর্টে মমতা তৃণমূলের তরফে দায়ের জনস্বার্থ মামলায় এই অভিযোগের সঙ্গেই গোটা ঘটনায় জেলাশাসকদের কাজে লাগানোর অভিযোগও করা হয়েছে। পরশু, মঙ্গলবার হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি রয়েছে।
মামলাকারীর মূল অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনে বিচারাধীন ‘এআইটিসি’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ইস্যুতে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর পক্ষে ভুয়ো সমর্থন দেখাতে রাজ্যজুড়ে সরকারি ক্ষমতার নজিরবিহীন অপব্যবহার চলছে। আদালতে পেশ করা মামলার নথি অনুযায়ী, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্তর থেকে জেলাশাসক, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডরদের কাছে অলিখিত ও বেআইনি নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। কোনও আইনসম্মত রেজিস্টার অথবা নথিতে এন্ট্রি না করেই ১০ টাকা ও ২০ টাকা মূল্যের প্রায় ২৫ হাজার স্ট্যাম্প পেপার ইস্যু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই স্ট্যাম্প পেপার সব থানায় পাঠাতে বলা হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশ তাদের প্রভাব খাটিয়ে তৃণমূলকর্মী এবং সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে জোর করে হলফনামায় সই করিয়ে নিচ্ছে, যাতে প্রমাণ করা যায়, এ রাজ্যে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের পক্ষে সমর্থন তুলনামূলক বেশি। যদিও মমতা তৃণমূল বৃহস্পতিবার প্রথম এই অভিযোগ করার সঙ্গে সঙ্গেই গণতান্ত্রিক তৃণমূলের পক্ষে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তা উড়িয়ে দেন।
মামলার আবেদনে জানানো হয়েছে, এই ধরনের পদক্ষেপে ১৮৯৯–এর ইন্ডিয়ান স্ট্যাম্প অ্যাক্ট সরাসরি লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং আইনের শাসনের উপরে চরম আঘাত করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের মতো একটি সাংবিধানিক সংস্থার স্বাধীন কার্যক্রমেও হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। অবিলম্বে এই অসাংবিধানিক কার্যকলাপ বন্ধ করতে, নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিতে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে হাইকোর্টের দ্রুত হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে মামলার আবেদনে।