কালবেলা · খেলাধুলা
নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানার মুখে রোনালদো
২০/১০/২০২৬

জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় শাস্তি পেয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাকে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি ২৫৫ ইউরো জরিমানা করেছে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ)।
গত মাসে উয়েফা নেশন্স লিগ চলাকালে কোচের সঙ্গে বিরোধের জেরে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন ক্রীড়ামাধ্যম ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেলার পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়া নিয়ে জাতীয় দলের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বিরোধে জড়ান ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। এর জেরেই পর্তুগাল দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান তিনি।
দল ছাড়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে কোচের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন রোনালদো। তার দাবি, জেসুস তাকে দেওয়া কথা রাখেননি।
ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিল জানিয়েছে, রোনালদো ইচ্ছাকৃতভাবে ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধি ভেঙেছেন। যদিও ফেডারেশনের বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, এই নিষেধাজ্ঞা কোন কোন ম্যাচ বা কার্যক্রমের ওপর প্রযোজ্য হবে কিংবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অধীনে ইতোমধ্যেই পার করা সময়টুকু এই ৩০ দিনের শাস্তির হিসাব থেকে বাদ যাবে কি না।
তবে শাস্তির বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে রোনালদো জানান, পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন যে শাস্তিই দিক, তা মেনে নেবেন তিনি। একই সঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথাও জানান এই তারকা।
আগামী নভেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগে ডেনমার্ক ও ওয়েলসের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে পর্তুগাল। ইএসপিএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই ম্যাচ দুটিতে খেলার যোগ্যতা থাকবে রোনালদোর।
এদিকে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসা রোনালদোকে এখনো দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করছেন। কোচ জেসুসের সঙ্গে তার বিরোধ মিটে যাবে এবং তিনি আবারও জাতীয় দলে ফিরবেন বলে আশাবাদী ফেডারেশন সভাপতি।
রোনালদোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রোয়েনসা বলেন, ‘তিনি আমাদের অধিনায়ক। আমাদের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।’
সূত্র: ইসপিএন
মূল প্রতিবেদনে যান ↗