আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিনের তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকা। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭।
ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। চিনের সংস্থা CENC জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিট নাগাদ উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের একটি কাউন্টিতে কম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে ছিল এই কম্পনের কেন্দ্র। স্থানীয় এলাকায় কম্পন স্পষ্ট ভাবে অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখযোগ্য ভাবে, কয়েক সপ্তাহ আগেই নেপাল ও চিনের তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় ভয়াবহ বন্যা ও ধসের ঘটনা ঘটেছিল। সেই বিপর্যয়ে ১,৪০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বহু মানুষ। তাঁদের অনেকেরই আর খোঁজ পাওয়া সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। গত আগস্টের শেষ দিকে নেপাল-চিন সীমান্তের কাছে একটি হিমবাহ ধসে পড়ে।
তার জেরে পাহাড়ি এলাকায় ধস ও হড়পা বানের সৃষ্টি হয়। সেই জল ও কাদার স্রোত নীচের উপত্যকাগুলিতে আছড়ে পড়ে ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালায়। বিপর্যয়ের পর থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে।
https://youtu.be/JwFdq_tA9cE?si=3QkNYyh3xTaQ6cYQ
বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই বিপর্যয়ের পর ৬,০০০-রও বেশি মানুষের নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেই বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবারের শক্তিশালী ভূমিকম্প নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে এই কম্পনে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কিংবা কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
