গত আট মাসে জ্বালানি খাতে ৪১২ কোটি ডলার ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তিনি বলেন, অতীত সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছেন। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এ সংখ্যা ৫ শতাংশ কমবে বলে আশা করছে সরকার।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ আয়োজিত ইএসজি ড্যাশবোর্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ২০২৯ সালে বাংলাদেশ চূড়ান্তভাবে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ করে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ উত্তরণের প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে আগের সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ কারণে প্রস্তুতির জন্য তিন বছর সময় রাখা হয়েছে এমনটি জানান এই উপদেষ্টা।
সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা তুলে ধরে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কর না বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়ানোর মাধ্যমে সক্ষম ও সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার।
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ১৯৭৫ সালের সংকটের তুলনা করে তিনি বলেন, সে সময়ের মতো এখনো অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
সরকারের সামনে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং কর্মসংস্থানের সংকট। তার ভাষায়, জুলাই সনদ এসেছে, কিন্তু শিক্ষিত ব্যক্তিরা কর্মসংস্থান পাচ্ছেন না।
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের ফ্যামিলি কার্ডের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ৬০ শতাংশ দারিদ্র্য নিরসন করা সম্ভব হবে।
