দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রবাসীদের কল্যাণে গুরুত্ব
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ১০:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
কানাডাপ্রবাসী সংগঠক প্রিন্সিপাল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম (মুকুল)।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মীদের কানাডায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং প্রবাসীদের কল্যাণে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন কানাডাপ্রবাসী সংগঠক প্রিন্সিপাল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম (মুকুল)। বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
সৈয়দ আমিনুল ইসলাম কানাডার স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট অন্টারিও লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, বাংলাদেশ ফিউনারেল সার্ভিসের (বিএফএস) সভাপতি এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টোর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
বাংলাদেশের বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলা গেলে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে। কানাডায় স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবহন ও বিভিন্ন কারিগরি পেশায় যোগ্য কর্মীদের সুযোগ থাকতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে নিয়োগদাতার চাহিদা, পেশাগত যোগ্যতা, ভাষাদক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট অভিবাসনবিধি পূরণ করা জরুরি।
এ জন্য বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, ইংরেজি ভাষাশিক্ষা ও পেশাগত সনদ অর্জনের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি কানাডার নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈধ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা, পেশাগত জ্ঞান ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
প্রবাসীরা শুধু বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান না; তাঁদের অর্জিত জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রবাসী সংগঠন, সরকারি সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তবে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি কর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি। কানাডায় চাকরির ক্ষেত্রে নিয়োগদাতার বৈধতা যাচাই, কাজের চুক্তি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা, প্রযোজ্য ওয়ার্ক পারমিট এবং অভিবাসনবিধি অনুসরণ করতে হবে। দালালচক্রের প্রতারণা ও অতিরিক্ত ব্যয় এড়াতে স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের দক্ষ কর্মীদের জন্য সম্মানজনক ও নিরাপদ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং প্রবাসীদের অভিজ্ঞতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশি সংগঠকদের সঙ্গে দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যকর যোগাযোগ নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করতে পারে।

