আনিসুল-পলক ফের গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
শুনানির জন্য দিন ধার্য থাকায় কারাগার থেকে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুন
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার এ মামলায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আওলাদ হুসাইন।
আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তারা আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।ঘটনার তদন্তে তাদের জড়িত থাকার পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি হিসেবে তাদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন। তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন হবে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
আদালতে শুনানিতে এ আবেদনের বিরোধিতা করে আসামিদের আইনজীবী।
অন্যদিকে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৮ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ফ্লাইওভারের ওপর গুলিবিদ্ধ হন পেশায় গাড়িচালক মামুন (২৫)।
শরীরের বিভিন্ন স্থান, বাম চোখ ও মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চোখের অবস্থার অবনতি হলে তিনদিন পরে জাতীয় চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক পর্যায়ে বাম চোখ সম্পূর্ণ রূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
এম এ জলিল উজ্জ্বল/অন্তরা/
আরও পড়ুন
অ্যাটর্নি জেনারেল আলোচিত সাত খুন, মেজর সিনহা ও আবরার হত্যা মামলার শুনানি আপিল বিভাগে
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। ছবি: সংগৃহীত
-->নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, মেজর সিনহা হত্যা ও বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবকাশকালীন ছুটি শেষে আদালত খুললে মামলাগুলোর দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) তিনি এ তথ্য জানান।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এ তিন হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায়ের পর আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
আরও পড়ুন
২০১৭ সালের ২২ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া ২৬ জনের মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। এরপর থেকে মামলাটি আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
অন্যদিকে, মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ২ জুন হাইকোর্ট রায় দেন। ওই রায়ে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস এবং বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। বর্তমানে মামলাটি আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
আরও পড়ুন
এ ছাড়া বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। এ মামলাটিও আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
অন্তরা/
আরও পড়ুন
ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সোহেল হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের চতুর্থ অতিরিক্ত বিচারক ফারজানা আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুল সাত্তার বেপারী, তার দুই ছেলে আলমগীর হোসেন আলম বেপারী ও রনি বেপারী এবং আশিকুর রহমান আশিক। রায় ঘোষণার সময় আব্দুল সাত্তার বেপারী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) হাবিবুর রহমান।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলার কানিহারী ইউনিয়নের বাঘাদাড়িয়া গ্রামের সোহেল ও আব্দুল সাত্তার বেপারীর পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে ২০১১ সালের ২৮ মে গ্রামের বাড়িতে ধান নিয়ে ফেরার পথে আসামিদের সঙ্গে সোহেলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সোহেলের ওপর হামলা চালায় তারা।
আরও পড়ুন
গুরুতর আহত সোহেলকে স্থানীয়রা প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ৩০ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত সোহেলের বাবা আব্দুল সালাম বেপারী ২০১১ সালের ২ জুন ত্রিশাল থানায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত চার আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।
কামরুজ্জামান মিন্টু/সালমান/
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ: ৩ আসামি রিমান্ডে
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে দুই দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন- মো. আকাশ আহম্মেদ সামির ওরফে আবদুল্লাহ, মো. শাখাওয়াত হোসেন ও মো. নুর নবী।
আরও পড়ুন
এদিন শুনানির জন্য আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত ১১ অক্টোবর আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম তাদের সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। সেদিন রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন
প্রসিকিউশন শাখার উপপরিদর্শক মো. আরিফ রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে তেজগাঁও থানার জাহাঙ্গীর গেট থেকে আগারগাঁওগামী লিংক রোডের মাথায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংলগ্ন সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ এবং দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ওই দিনই রাজধানীর তেজগাঁও থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং সমর্থকদের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়।
জলিল উজ্জ্বল/সালমান/
আরও পড়ুন
প্রশ্ন ফাঁসের হোতা আবেদের ছেলে সিয়ামের ৪ বছর কারাদণ্ড
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় প্রশ্ন ফাঁসের হোতা আলোচিত সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাদণ্ড এবং তার নামে থাকা ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার রায় দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীর এ রায় ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন
বয়স বিবেচনায় নিয়ে আদালত আসামিকে এ সাজা দিয়েছেন বলে জানান দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি।
এর আগে সিয়ামকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন
রায় ঘোষণার পর আপিলের শর্তে জামিন চান তার আইনজীবী রফিকুল ইসলাম। শুনানি শেষে এ আবেদন রক্ষণীয় নয় বলে নাকচ করেন বিচারক।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মামলায় বিচার চলাকালে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহন করা হয়। এর আগে গত ১৭ জুন এ মামলায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।
এর আগে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন।
চার্জশিটে আসামির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক।
সিয়াম ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন। প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৪ সালের জুলাইতে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাকে।
জলিল উজ্জ্বল/অমিয়/
