
প্রতীকী ছবি।ছবি সৌজন্যে: AI
Published on
:
1 min read
বহু প্রতীক্ষিত জিয়ো প্ল্যাটফর্মসের আইপিও ঘিরে প্রত্যাশা চড়ছে লগ্নিকারীদের। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রেড হেরিং প্রসপেক্টাস (RHP) জমা দিয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ের ডিজিটাল পরিষেবা সংস্থা। আগামী ২১ অক্টোবর এই আইপিও-তে শেয়ারের জন্য আবেদন করা যাবে। ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে সাবস্ক্রিপশন। অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার দিন ধার্য হয়েছে ১৯ অক্টোবর। এই আইপিও থেকে সর্বোচ্চ ৩০,২১৩ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্য রয়েছে জিয়োর।
২৭ কোটি নতুন শেয়ার বাজারে
জিয়ো প্ল্যাটফর্মসের আইপিওতে সর্বোচ্চ ২৭ কোটি ইক্যুইটি শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। প্রতিটি শেয়ারের ফেস ভ্যালু ১০ টাকা। এই আইপিও সম্পূর্ণ ফ্রেশ ইস্যু—অর্থাৎ নতুন শেয়ার বিক্রি করে টাকা তুলবে সংস্থা। পুরোনো বিনিয়োগকারীদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রির কোনও অংশ এই ইস্যুতে নেই। আইপিও-র প্রাইস ব্যান্ড ধার্য হয়েছে শেয়ার প্রতি ১,০৬৫ থেকে ১,১১৯ টাকা। সর্বোচ্চ প্রাইস ব্যান্ডে এক লটের জন্য রিটেল ইনভেস্টরদের খরচ হবে ১৩,৪২৮ টাকা।
কর্মী ও রিলায়েন্সের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সংরক্ষণ
এই আইপিওতে জিয়ো প্ল্যাটফর্মসের যোগ্য কর্মীদের জন্য সর্বোচ্চ ৫০০ কোটি টাকার শেয়ার সংরক্ষিত থাকবে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ের যোগ্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে সর্বোচ্চ ২,৫০০ কোটি টাকার শেয়ার। অর্থাৎ দুই শ্রেণির আবেদনকারীদের জন্য মোট ৩,০০০ কোটি টাকার শেয়ার রাখা হচ্ছে।
আইপিওর টাকা কোথায় ব্যবহার করবে জিয়ো?
আইপিও থেকে পাওয়া অর্থের একটি বড় অংশ রিলায়েন্স জিয়ো ইনফোকমের ঋণ আগাম মেটাতে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সংস্থার সাধারণ কর্পোরেট প্রয়োজনেও অর্থ খরচ করা হবে। এই আইপিওর মাধ্যমে জিয়ো প্ল্যাটফর্মসের ব্যবসার মূল্য বাজারে নির্ধারিত হওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সামনে সংস্থার আর্থিক পরিস্থিতি, ব্যবসার ঝুঁকি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আসবে।
জিয়ো প্ল্যাটফর্মসের টেলিকম ও ডিজিটাল পরিষেবা ব্যবসা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এই আইপিও-র দিকে বাজারের নজর রয়েছে। আইপিও-র চূড়ান্ত মূল্য, আবেদনকারীদের চাহিদা এবং শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পর দামের ওঠানামা— সবই বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
