খুলনা গেজেট অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ
মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাক-ঢোল বেজে উঠেছে। আলোক সজ্জায় নতুন রূপ নিয়েছে মন্দির ও মণ্ডপগুলো। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সাজসাজ রব। প্রতিমার গায়ে রঙের ছোঁয়া শেষ হয়েছে। শুধু প্রস্তুতি ষষ্ঠির। আজ দুর্গোৎসবের সূচনা। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বাস মতে ‘দেবীর আগমন ঘটকে, বিদায় নৌকায়’।
মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার জন্য নিরাপত্তা কর্মীরা অবস্থান নিয়েছে। বিজিবি গার্ড ও এসআরবি গত বুধবার থেকে টহল শুরু করেছে। আগামীকাল ও পরশু উৎসবের মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাঅষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী ও ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী।
এবারে জেলায় সবচেয়ে ব্যয়ের মণ্ডপ নগরীর সোনা পট্টির মণ্ডপ। এখানকার আনুমানিক ব্যয় ১৪ লাখ টাকা। পরের উল্লেখযোগ্য মণ্ডপগুলো হচ্ছে বড়বাজার, ধর্মসভা, দোলখোলা, শীতলাবাড়ি, মহেশ্বরপাশা ও আড়ংঘাটা। এবারে জেলখানা ঘাট, চরেরহাট, মহেশ্বরপাশা ও দৌলতপুর ঘাটে ভৈরব নদে প্রতিমা বিসর্জন হবে। বিসর্জনস্থলেও সশস্ত্র পুলিশ পাহারায় থাকবে।
নগর পূজা উদযাপন কমিটির কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার দেবনাথ সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি করেছেন।
প্রসঙ্গ নিয়ে বলেছেন, প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা থাকবে। সশস্ত্র বাহিনী ছাড়াও মন্দির কমিটির ৮ জন করে স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে কেএমপি ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। কালিবাড়ি ঘাট, জেলখানা ঘাট ও রূপসা ঘাটে যানজট অবসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকবে।
সূত্র বলেছে, পূজারিদের কেনাকাটা শেষ হয়েছে। এবারে আধুনিক পোষক ছিল তরুণীদের পছন্দের। গতবারের চেয়ে প্রতিমা তৈরিতে ২৫ শতাংশ ব্যয় বেড়েছে। প্রতিটি প্রতিমা প্রকারভেদে উপকরণ ও কারিগারির মুজরীসহ ব্যয় সর্বনিম্ন ৪০-৬৫ হাজার টাকা। জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন ও কেসিসি মণ্ডপগুলোতে আর্থিক অনুদান দিয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পি গতকাল বৃহস্পতিবার মণ্ডপগুলোতে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন। ২১৫টি মন্দিরে ১৫ লাখ ২৯ হাজার টাকা অনুদান দেন। এ যাবৎ কালের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ অনুদান। খুলনা-৩ আসনের মণ্ডপগুলোতে হুইপ রকিবুল ইসলাম পোষাক ও নগদ অর্থ দিয়েছেন।
খুলনা গেজেট/এনএম
