The Sangbad · সাধারণ
‘লিপির সংসার’এ তন্ময়-মিমের সঙ্গে শিরীন
১২/১০/২০২৬

বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে
দর্শকপ্রিয় জুটি তন্ময় সোহেল ও মিম চৌধুরী। এই জুটির অভিনীত বেশ কিছু নাটক দর্শকের
মধ্যে সাড়া ফেলেছে। এবার তাদের নিয়ে পারিবারিক গল্পের নাটক নির্মাণ করেছেন তন্ময় খান।
নাটকটির নাম ‘লিপির সংসার’।নাটকটিতে নাম ভূমিকায়
অভিনয় করেছেন মিম চৌধুরী। তার স্বামীর চরিত্রে দেখা গেছে তন্ময় সোহেলকে। এছাড়া মায়ের
চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিরীন আলম। নাটকটির গল্প লিখেছেন রাকিব ইসলাম।গত ১৫ সেপ্টেম্বর
ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে ‘লিপির সংসার’। প্রকাশের পর থেকেই নাটকটি দর্শকের মধ্যে সাড়া
ফেলেছে। এরই মধ্যে প্রায় তিন লাখ দর্শক নাটকটি উপভোগ করেছেন।নাটকটিতে গ্রামের
সহজ-সরল ও সংসারপ্রেমী এক নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিম চৌধুরী। নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে
তিনি বলেন, ‘গ্রামের খুব সহজ-সরল এবং সংসারপ্রেমী একজন স্ত্রীর ভূমিকায় আমি এই নাটকে
অভিনয় করেছি। তন্ময় সোহেল ভাইয়ের সঙ্গে এর আগেও বহু নাটকে অভিনয় করেছি। কিন্তু এই ধরনের
গল্পে কাজ করা হয়ে ওঠেনি। আমি যথারীতি আমার চরিত্রটি ঠিকঠাকভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা
করেছি। নাটকটি প্রচারের পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। ধন্যবাদ নাটকের নাট্যকার রাকিব ইসলামকে।’নাটকে নেতিবাচক
চরিত্রে অভিনয় করেছেন তন্ময় সোহেল। তার চরিত্রটি নেশাগ্রস্ত ও অত্যাচারী স্বামীর। স্ত্রীকে
নানা কারণে নির্যাতন করেন তিনি। একপর্যায়ে স্ত্রী ও সন্তানকে নিজ হাতে হত্যা করেন চরিত্রটি।
পরে নিজের ছেলেকে হত্যা করেন তার মা, অর্থাৎ শিরীন আলমের চরিত্রটি।তন্ময় সোহেল বলেন,
‘এই নাটকে আমি অত্যাচারী একজন স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করেছি, যে কিনা স্ত্রীকে নানা
কারণে সবসময় বকা দিই, গায়ে হাত তুলি। নেশায় ডুবে থাকি আমি। একদিন আমি আমার স্ত্রী ও
সন্তানকে নিজ হাতে খুন করে ফেলি। যে কারণে পরবর্তীতে আমার মা আমাকে খুন করে ফেলেন।
গল্পটা জীবন থেকে নেওয়া। এই ধরনের ঘটনা আমাদের সমাজে হয়েছে বিধায় সেইসব ঘটনার ছায়া
অবলম্বনে “লিপির সংসার” নাটকটি নির্মিত হয়েছে।’তিনি আরও বলেন,
‘আমার চরিত্রটি নেগেটিভ হলেও আমি বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। আসলে মিম ও আমার অভিনয়ের রসায়ন
দর্শক দারুণ উপভোগ করেন। সামনে আরও বেশ কিছু ভালো গল্পের নাটক আসছে আমার এবং মিমের।’
শিরীন আলম বলেন,
‘নাটকে আমার ছেলের ভূমিকায় অভিনয় করেছে তন্ময়। গল্পের শেষ মুহূর্তে এসে উপায় না দেখে
আমি আমার সন্তানকে খুন করি। বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।’
মূল প্রতিবেদনে যান ↗