কালবেলা · সাধারণ
প্রেমের টানে ভাইকে সঙ্গে নিয়ে জয়পুরহাটে ভারতীয় যুবক
১২/১০/২০২৬

ফেসবুকে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় ছুটে এসেছেন এক যুবক। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন তার ভাইকেও। এদিকে, প্রেমিকাকে বিয়ে করতে ভারতীয় যুবকের আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরো এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের বাড়িতে গেলে ওই দুই ভারতীয় যুবকের দেখা মেলে।
পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত নথিপত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশে আসা ভারতীয় ওই দুই নাগরিক হলেন পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুর এলাকার বাসিন্দা ফারুক চাপরাশি ও তার ভাই মুর্শিদ চাপরাশি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জমিনপুর গ্রামের বাসিন্দা সানোয়ার হোসেনের মেয়ে পূর্ণিমার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ফারুক চাপরাশির। নিয়মিত যোগাযোগের একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমকে পরিণতি দিতে এবং বিয়ে করার উদ্দেশে গত বৃহস্পতিবার ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশে আসেন ফারুক ও তার ভাই মুর্শিদ। বর্তমানে তারা পূর্ণিমার বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
এদিকে, সীমান্ত পেরিয়ে দুই ভারতীয় যুবকের আসার খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে তাদের এক নজর দেখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় জমতে থাকে। তবে অভিযোগ উঠেছে, প্রেমিকা পূর্ণিমা ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই দুই ভারতীয় যুবকের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী কিংবা স্থানীয় কাউকে সরাসরি কথা বলতে দিচ্ছেন না। উপরন্তু, সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে প্রেমিকার ভাই তাদের হুমকি দেন।
অভিযোগ ও ভারতীয়দের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে পূর্ণিমার বাবা সানোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমান যুগে ছেলে-মেয়েরা মুঠোফোনে প্রেম-ভালোবাসা করে থাকে। ওই তরুণ ও তার বড় ভাই বৈধ পাসপোর্ট এবং ভিসা নিয়েই গত বৃহস্পতিবার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে আমার বাড়িতে এসেছেন। আমরাও ভারতে যাওয়ার জন্য ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছি। ভিসা পাওয়া মাত্রই আমরা ভারতে গিয়ে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের আয়োজন করব। বিষয়টি তখন সবাইকে জানানো হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম জানান, ভারতীয় দুই নাগরিকের কালাই উপজেলায় আসার সংবাদ তারা পেয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে পুলিশ গভীরভাবে খোঁজখবর রাখছে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗