ছবির ক্যাপশন: ...............
কোহিনূর আলম, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিরান্দরি বিল থেকে গলিত ও অজ্ঞাত একটি লাশ উদ্ধার করেছে কেন্দুয়া থানা পুলিশ ।পরিবারের দাবি -শামীমের লাশই এটি ।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা গ্রামের বিরান্দরি বিল থেকে এ লাশ /কংকাল উদ্ধার করা হয় ।
স্থানীয় ও পরিবারের দাবি/ ধারণা নিখোঁজ যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম শামীমের মৃতদেহ এটি । তবে পুলিশ এখনো তা সনাক্ত বা নিশ্চিত করতে পারেন নি ।
এর আগে নিখোঁজের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম (৪০) বাদী হয়ে ২০ জনের নামোল্লেখ করতঃ অজ্ঞাত আরো ১৫/২০ জনকে আসামি করে কোর্টে অভিযোগ দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে ৩৬৪/৫০০/৫০৬(২)/৩৪ ধারায় গত ২৫ জুলাই থানায় মামলা রজু হয় । এরও আগে গত ৩জুলাই কেন্দুয়া থানায় এ বিষয়ে একটি জিডিও করেন তিনি । তাছাড়া গত ৫জুলাই আনুমানিক রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে গন্ডা ইউনিয়নের গৈচাশিয়া ও মনকান্দা গ্রামের শামুকজানী নদীর সেতির নিচ থেকে শামীমের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে কেন্দুয়া থানা পুলিশ । অন্যদিকে গত ২৬ আগস্ট শামীম নিখোঁজের ৫৩দিন ও মামলা রজুর ২৯ দিন পর সাইফুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হলেও বাকী ১৯ জন আসামি গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছেন ।
মামলার বাদী সাইফুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, যে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তা শামীমেরই । শামীম যে গেঞ্জিটি পড়েছিলো, সেই গেঞ্জিটির কলার দেখে বুঝতে পেরেছি । তিনি আরো বলেন, ডিএনএ টেস্ট হলে তা আরো নিশ্চিত হওয়া যাবে ।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, আমরা যে লাশ উদ্ধার করেছি তা কংকাল সার । ডিএনএ টেস্ট ছাড়া কিছু বলা যাবে না । তাই তা নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে ।
প্রসঙ্গত নিখোৃজ শামীম ছিলেন,গন্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদল নেতা এবং গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা গ্রামের মো. আক্কাছ আলীর ছেলে ।
