আজকাল ওয়েবডেস্ক: রেলে চাকরির জন্য অপেক্ষায় থাকা স্নাতক উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর। ২০২৬ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরিজ নিয়োগের মাধ্যমে মোট ৩,৫৪৮টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ভারতীয় রেল। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তির নম্বর CEN 06/2026। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চারটি পৃথক পদে নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে।
কোন পদে কত শূন্যপদ?
রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চারটি পদে মোট ৩,৫৪৮ জনকে নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে গুডস ট্রেন ম্যানেজার পদে। এই পদে মোট ২,৭৫০ জনকে নিয়োগ করা হবে। এছাড়া সিনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট পদে ৩৭১টি, জুনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম টাইপিস্ট পদে ৩০০টি এবং চিফ কমার্শিয়াল কাম টিকিট সুপারভাইজার পদে ১২৭টি শূন্যপদ রয়েছে।
এই পদগুলিতে রেলের ট্রেন পরিচালনা, বাণিজ্যিক পরিষেবা, হিসাবরক্ষণ এবং প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত প্রার্থীরা।
বেতন কত?
সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন অনুযায়ী, চিফ কমার্শিয়াল কাম টিকিট সুপারভাইজার পদে প্রাথমিক বেসিক বেতন মাসে ৩৫,৪০০ টাকা। অন্য তিনটি পদে প্রাথমিক বেসিক বেতন মাসে ২৯,২০০ টাকা। এর পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। ফলে সরকারি চাকরির পাশাপাশি রেলের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করার সুযোগও থাকছে প্রার্থীদের সামনে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সসীমা
এই নিয়োগে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অথবা সমতুল্য যোগ্যতা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট পদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও অতিরিক্ত শর্ত থাকলে তা পূরণ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৩ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত শ্রেণির যোগ্য প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন।
আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে ৮ অক্টোবর থেকে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ নভেম্বর, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৮ নভেম্বর। অন্যদিকে, আবেদনপত্রে ভুল সংশোধনের সুযোগ পাওয়া যাবে ৯ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
কীভাবে হবে নির্বাচন?
প্রার্থীদের প্রথমে প্রথম পর্যায়ের কম্পিউটার বেসড টেস্ট এবং পরে দ্বিতীয় পর্যায়ের CBT-তে বসতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং মেডিক্যাল পরীক্ষা হবে। নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ এবং মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত নির্বাচন করা হবে।
রেলের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, জুনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম টাইপিস্ট এবং সিনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট পদে আলাদা করে কম্পিউটার বেসড টাইপিং স্কিল টেস্ট নেওয়া হবে না। তবে চাকরিতে যোগদানের পর প্রার্থীদের কম্পিউটার ও টাইপিং সংক্রান্ত প্রাথমিক দক্ষতা মূল্যায়ন করা হবে। আবেদন করার আগে প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট RRB-এর সরকারি বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE
