বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের চার দিন পর ইউসুফ আলী (৫) নামে এক শিশুর ক্ষতবিক্ষত ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার বালুয়াহাট গ্রামে বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে মরদেহের মাথা ও হাত-পায়ের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি। ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
নিহত ইউসুফ আলী ওই গ্রামের পলাশ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে খেলতে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় ইউসুফ। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে সোমবার সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন স্বজনেরা।
বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের ধানখেত থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহের মাথা ও হাত-পায়ের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি। বাকি অংশ উদ্ধারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কাজ করছে।
শিশুটিকে হত্যার কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
