যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরানের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরে আতঙ্ক বাড়তে শুরু করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তার আশঙ্কা, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যখন ইরানের অর্থনৈতিক সংকট দ্রুত ও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে আরও গভীর হবে।
বেসেন্ট বলেন, ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটা দেউলিয়া হয়ে পড়া কোনো প্রতিষ্ঠানের মতো। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিকে কেউ অর্থ দিতে চাইবে না।
তিনি বলেন, ইরানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য বক্তব্যেও আতঙ্কের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে ওয়াশিংটন মনে করছে।
বেসেন্টের দাবি, ইরানে মূল্যস্ফীতি ১০০ শতাংশের বেশি এবং দেশটির অর্থনীতি দুই অঙ্কের হারে সংকুচিত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী অর্থনৈতিক অভিযানের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অপারেশন আউটকাস্ট’ শুরুর আট সপ্তাহ পার হয়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে চার সপ্তাহ লাগবে, নাকি আট সপ্তাহ, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে একপর্যায়ে ইরানের অর্থনীতি দ্রুত ও অস্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন।’
বেসেন্টের এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরানের ওপর মার্কিন অর্থনৈতিক চাপের প্রভাব নিয়ে ওয়াশিংটনের মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন।
