

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি-পূর্ব) এস.আই মো. তোফায়েল ইসলামের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম বুধবার রাত ১০টার দিকে কলমাকান্দা উপজেলার আতকাপাড়া নামক সড়কের গুমাই ব্রীজের ওপর অভিযান চালিয়ে ২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেত্রকোনা-কলমাকান্দা সড়কের গুমাই ব্রীজের ওপর বুধবার রাত ১০দিকে জেলা ডিবির এস.আই মো. তোফায়েল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় একটি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগের ভেতরে রক্ষিত দুইটি প্যাকেটে ২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মো. নজরুল ইসলামকে (৩৭) আটক করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মো. নজরুল ইসলাম কলমাকান্দা উপজেলার চন্দনকান্দি গ্রামের মৃত চান্দু খাঁ’র ছেলে।
এ ব্যাপারে কলমাকান্দা থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সারা জেলায় মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে বিএনপিতে কারো স্থান নেই : পানিসম্পদ মন্ত্রী
কোন নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে বিএনপিতে তার কোন স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত মহিলা দলের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, কোন নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে বিএনপিতে তার কোন স্থান নেই। তারেক রহমানের শাসনামলে এ্যানি চৌধুরী নির্বাচিত হওয়া অবস্থায় সেই সুযোগ লক্ষ্মীপুরের রাজনীতিতে দেওয়া হবে না। এজন্য ভালো লোককে যুবদলের নেতৃত্বে দিবো। যুবদলের নেতাগিরি করবেন, আর কেউ লোহা লক্কর নিয়ে হাটাহাটির চেষ্টা করবেন, ওইদিন শেষ। লোহা লক্করের রাজনীতি লক্ষ্মীপুরে চলবে না। কোন ধরণের অপকর্মের সঙ্গে যদি কেউ জড়িত হয় অথবা আওয়ামী লীগের আগের লোকের সঙ্গে থেকে অপকর্মে লিপ্ত হয়ে কিছু মাল কামাবেন, অপকর্ম করবেন, ওই সুযোগ বিএনপির রাজনীতিতে তারেক জিয়ার আমলে হবে না। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, বিএনপি নেতা আবুল হাশেম চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন ও জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার প্রমুখ।

বাকেরগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী বশির উদ্দিনের মতবিনিময় সভা
আসন্ন বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী বশির উদ্দিনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড থেকে দুই সহস্রাধিক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা কাজী বশির উদ্দিনের প্রতি নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় রগুনাথপুর মোহাম্মদিয়া মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কাজী মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মোঃ দুলাল খান, মোঃ জলিল খান, মোঃ জাকির হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মজিবর আকন, ইলিয়াছ সিকদার, রাজু আকন, মোঃ দবির খান, মোঃ সুজন হাওলাদার, মোঃ সুমন প্যাদা, কাজী সোহেল রানা ও জুয়েল মৃধা প্রমূখ। সভায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত মানুষের অংশগ্রহণে নির্বাচনী পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। উপস্থিত ব্যক্তিরা কাজী বশির উদ্দিনের প্রতি তাঁদের সমর্থন জানান এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাঁর পক্ষে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ মতবিনিময় সভাকে কেন্দ্র করে পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের স্থানীয় রাজনীতিতে কাজী বসিরকে গিয়ে নির্বাচনী আলোচনা ও আগ্রহ আরও জোরালো হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই নারীকে দিয়ে ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলে ব্যবসায়ীকে ১৮ ঘণ্টা নি'র্যাতন!
ফরিদপুরের সদরপুরে হানিট্র্যাপে ফেলে এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে ১৮ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা, মারধর ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্বজনদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কদমতলা এলাকার খাদিজাতুল কোবরা মাদ্রাসার তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে ওই দুই নারীকে গ্রেপ্তার ও ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার নারীরা হলেন- উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের সুমনের স্ত্রী এবং কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর অঞ্জনা আক্তার (২৫) এবং ঢেউখালী ইউনিয়নের বক্সডাঙ্গী গ্রামের মনির মাতুব্বরের স্ত্রী মালা আক্তার (১৯)। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইব্রাহীম খান (২৮) অভিযোগ করেন, অঞ্জনা তার কলেজ জীবনের ফ্রেন্ড হিসেবে পরিচিত। কয়েক দিন আগে অঞ্জনা তাকে মালার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। পরিচয়ের সূত্র ধরে মালার সঙ্গে ব্যাবসায়ীর মোবাইলে মাঝে মধ্যে কথা হতো। গত ২০ অক্টোবর রাতে অঞ্জনার ডাকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে গেলে সেখানে আগে থেকে মালা অবস্থান করেন। অঞ্জনা মালাকে রুমে রেখে বাইরে যাওয়ার কথা বলে বাইরে থেকে দরজা আটকে দেন। অপরদিকে মালা আক্তার রুমে ব্যবসায়ীর সামনে কান্নার অভিনয় করেন। তিনি জানান, কিছুক্ষণ পর অঞ্জনার স্বামী সুমনসহ আরও ১০-১২ জন যুবক আসেন। তারা তাকে আটকে রেখে মারধর করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আরও দেড় লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকার দাবিতে তাকে ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখেন। পরে কৌশলে মোবাইলে আত্মীয় সোহেল মোল্যাকে টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে আসতে বললে তার সন্দেহ হয়। ওই আত্মীয় বিষয়টি সদরপুর থানায় জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় অঞ্জনার স্বামী সুমনসহ অন্যরা পালিয়ে গেলে পুলিশ দুই নারীকে আটক করে। এ ঘটনায় ইব্রাহীম খান বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে অঞ্জনা আক্তার, তার স্বামী সুমন ও মালা আক্তারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ্ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুই নারীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় রোজিনা খাতুন (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচারের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর ভাই মো. দেলোয়ার হোসেন। পারিবারিক সম্পত্তি দখল, বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ, মানসিক নির্যাতন ও হুমকির অভিযোগ তুলে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ন্যায়বিচার এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে দেলোয়ার হোসেন এসব অভিযোগ করেন। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, তাঁর বোন রাজিনা খাতুনের স্বামী ছিলেন মৃত মো. রফিকুল ইসলাম। তাঁদের বাড়ি পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার চরভাঙ্গুড়া, খাঁপাড়া এলাকায়। প্রায় ৩২ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল বলে জানান অভিযোগকারী। লিখিত অভিযোগে দেলোয়ার হোসেন উল্লেখ করেন, তাঁর বোনের মৃত্যুর পর পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাঁর দাবি, বোনের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করার উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা অভিযোগ ও বিরোধ সৃষ্টি করেন। এ ছাড়া তাঁর বোনকে মানসিকভাবে হয়রানি, অপমান এবং বসতবাড়ি নিয়ে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হতো বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, গত শনিবার(১৭ অক্টোবর) রাতে তাঁর বোনের মৃত্যুর ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁর সন্দেহ, সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের যোগসাজশে তাঁর বোনকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে দেলোয়ার হোসেনের মো. রাশিদুল ইসলাম (রাসেল), মো. এনামুল হক, মো. রাজিবুল ইসলামসহ কয়েকজনের নাম অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।আনিত অভিযুক্ত ৩জন ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক মোবাইলে ফোনে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।থানায় মামলা করতে চেয়েও পারেননি বলে অভিযোগ দেলোয়ার হোসেন জানান, তাঁর বোনের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩০৬ ধারায় মামলা দায়ের করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, থানা মামলা গ্রহণ না করে আদালতের মাধ্যমে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এ কারণে তিনি ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সাক্ষী ও প্রমাণের উল্লেখ। দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাঁর বোনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রোজিনা খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, হত্যার অভিযোগ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

খুলনায় মায়ের সামনে মেয়েকে প্রকাশ্যে গুলি করে হ'ত্যা
খুলনা মহানগরীর জিন্নাহপাড়া এলাকায় সন্ত্রাসীর গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুশি (২৫) নামের দুসন্তানের জননীকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মায়ের সঙ্গে রিকশা থেকে নামার পর এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, খুশির স্বামীর সঙ্গে মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। খুশির স্বামী সুমন হাওলাদার ওরফে ব্লেড বাবু একজন মাদক ব্যবসায়ী। আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জিন্নাহপাড়া এলাকার বউ বাজার ৭ নম্বর গলির মাথায় পাকা রাস্তার উপর এ ঘটনা ঘটে। নিহতের মা জানান, তিনি মেয়ে খুশিকে নিয়ে বাসায় ফেরার জন্য রিকশা নিয়ে গলির মাথায় নামেন। এ সময় খুশি রিকশা থেকে আগে নামে। এ সময় দুর্বৃত্তরা এসে খুশির সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমার সামনেই তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। তিনি দুইজন দুর্বৃত্তর নাম উল্লেখ করে জানান, তারা আশিক গ্রুপের লোকজন। পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জিন্নাহপাড়া এলাকার বউ বাজার ৭ নম্বর গলির মাথায় পাকা রাস্তার উপর দুই দুর্বৃত্ত একটি মোটরসাইকেলে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময়ে খুশি ও তার মা রিকশায় এসে এখানে থামে। খুশি রিকশা থেকে নামতেই দুর্বৃত্তরা তাদের কাছে খুশির স্বামীর কথা জানতে চায়। এ সময় খুশির পেছনে থাকা দুর্বৃত্ত একটি গুলি করে। এরপর খুশিকে জড়িয়ে ধরে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে আবারও গুলি করে। সঙ্গে থাকা অপরজন তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন খুশিকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারফ হোসেন বলেন, খুশির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। নিহত খুশি ও তার স্বামী সুমন হাওলাদার ওরফে ব্লেড বাবু দুইজনই মাদকে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে মাদকের মামলাও রয়েছে। কি কারণে এই ঘটনা এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত তা শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


