প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান অভিযোগ করে বলেছেন, “পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দিল্লিতে বসে আর বাংলাদেশে বসে দেশবিরোধী জামায়াতে ইসলামী চক্রান্ত করছে।”
রোববার (অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর গভীর ভালোবাসা ছিল। ১৯৮৬ সালে এরশাদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য জামায়াত ও আওয়ামী লীগ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছিল। সেই চক্রান্ত তখন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের জনগণ মোকাবেলা করেছিল। অর্থাৎ অতীতেও তারা বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল এবং বর্তমানেও করছে।
তিনি আরও বলেন, যে সময় থেকে বিরোধী দল আন্দোলন শুরু করেছেন, অর্থাৎ মাত্র ৬ মাস বয়সী এক সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি করেন। এখন তারা তা পালন করে যাচ্ছেন। তাদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া রয়েছে। জ্বালানী সংকটকে পুঁজি করে এই লংমার্চ তারা করছেন। তবে জামায়াতের আমীর আগেই বলেছিলেন যে, জ্বালানী সংকট একটি জাতীয় সংকট। সেখানে তাদের এই লংমার্চের কোনো গুরুত্ব নাই। দেশের জনগণ তাদের এই লংমার্চ গ্রহণ করে নাই।
এর আগে রোববার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকায় অবস্থিত আব্বাসী মঞ্জিল জৌনপুরী দরবার শরীফে গিয়ে মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশেদ খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
