আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিকে সামনে রেখে গ্রেফতারের আশঙ্কা প্রকাশ করলেও পিছু হটবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দীপকে অভিযোগ করেন, নম্বরপ্লেটবিহীন কয়েকটি গাড়ি তাকে অনুসরণ করছে। পাশাপাশি, তার বাড়ির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
দীপকে বলেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য জেলে যেতে হলেও তিনি প্রস্তুত। তার ভাষ্য, “শুক্রবার আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গিয়ে তেরঙ্গা ওড়াব। এই দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা যদি মনে করি, এটি অপরাধ, তাহলে আপনারাই সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী।”
আজ শুক্রবার নয়াদিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সিজেপি। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। দলটির দাবি, তার পরিবর্তে একজন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে।
তবে কর্মসূচির নির্ধারিত স্থান নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি পৌর কাউন্সিল জানায়, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ থাকবে। এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে দীপকে প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি ঘোষণার পর একের পর এক স্থান বন্ধ করে দেওয়া হলে তা কীভাবে গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
সিজেপির দুই সহকর্মী সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার গ্রেফতারের প্রসঙ্গ টেনে দীপকে অভিযোগ করেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। তবে আন্দোলন থেকে সরে না আসার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য সরকার পরিবর্তন নয়; বরং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সরিয়ে নিরপেক্ষ ব্যক্তি নিয়োগ নিশ্চিত করা।
ভারতের বর্তমান পরিস্থিতিকে জরুরি অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে মোদি সরকারের সমালোচনাও করেন দীপকে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
