যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) উপপরিচালক সোহাগ ফকিরকে (৩৮) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) হাসিবুজ্জামান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গতকাল আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাইমিনুল ইসলাম। শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মতিঝিল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। সিআইডির সাইবার পুলিশ ইউনিটের কর্মকর্তারা জানান, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় তদন্তে সোহাগ ফকিরের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
রাজৈর থানার ওসি কুতুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এ সময় আমাদের থানা পুলিশের একটি দল তাদের সহায়তা করে। এরপর বুধবার ভোরবেলা তাকে নিয়ে সিআইডির একটি টিম ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর গত ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় এ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এরপর প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন। তারা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ কিছুক্ষণ অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এরপরই যুব মন্ত্রণালয়ের তরফে তদন্ত কমিটি করা হলো। ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।