মুন্সিপুর সীমান্তে কোটি টাকার স্বর্ণসহ পাচারকারী আটক
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চুয়াডাঙ্গার মুন্সিপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের ৭০০ গ্রাম ওজনের ৬টি স্বর্ণের বারসহ দবির উদ্দিন (৫৫) নামে এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে মুন্সিপুর বিওপির হাবিলদার আল আমিনের নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহলদল সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)।
মুন্সিপুর সীমান্তের মেইন পিলার ৯৩ থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মুন্সিপুর এলাকার কবরস্থানের পাশ দিয়ে ভারতে স্বর্ণ পাচারের সময় দবির উদ্দিনকে আটক করেন বিজিবি সদস্যরা। পরে তার কাছ থেকে ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন ৭০০ গ্রাম, যার আনুমানিক সিজার মূল্য ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে দামুড়হুদা থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধার স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
মিজানুর রহমান/নাঈম
আরও পড়ুন
জৈন্তাপুরে ট্রাকের ধাক্কায় পর্যটকবাহী বাস খাদে, আহত ৩
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেটের জৈন্তাপুরে পাথরবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় জাফলংগামী একটি পর্যটকবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ৩ জন পর্যটক গুরুতর আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর পাথরবোঝাই ট্রাকটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী থেকে ছয় দিনের সফরে সিলেটে আসেন একদল পর্যটক। শনিবার দুপুরে তারা একটি বাসে করে পর্যটন কেন্দ্র জাফলংয়ের উদ্দেশে রওনা হন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী একটি পাথরবোঝাই ট্রাক বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের তিন যাত্রী গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তামাবিল হাইওয়ে থানার ইনচার্জ (এসআই) নাজমুল জানান, ‘জাফলংগামী পর্যটকবাহী বাসটিকে ধাক্কা দেওয়ার পর ট্রাকটি ঘটনাস্থলে রেখে চালক পালিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। পলাতক ট্রাক চালককে শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশের অভিযান চলছে।’
এএফ/
আরও পড়ুন
বেনাপোলে পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
গ্রেপ্তার মিয়ারাজ গাইন। ছবি: খবরের কাগজ
-->বেনাপোলে মুরগীবাহী ভ্যানে অভিযান চালিয়ে একটি দেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও দুই রাউন্ড গুলিসহ মিয়ারাজ গাইন (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরশাফ হোসেন। গ্রেপ্তার মিয়ারাজ গাইন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে পুলিশের একটি বিশেষ দল যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের তনিমা ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহভাজন ভ্যানটি থামিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। অভিযানে একটি দেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও দুই রাউন্ড গুলিসহ মিয়ারাজ গাইনকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে তাকে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
নজরুল/এএফ
আরও পড়ুন
সিলেটে সুইপার কলোনির হৃদয় হত্যা: নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার ৩
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার হত্যা মামলায় এজহারভুক্ত তিন আসামি। ইনসেটে নিহত হৃদয় হরিজন।ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেটের সুইপার কলোনির হৃদয় হরিজন (৩৩) নামে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হত্যা মামলার তিন আসামিকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার ( ১৬ অক্টোবর) রাতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বিকেলে তিন আসামি গ্রেপ্তারের পর প্রেস ব্রিফিং করেন এসএমপির পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বিপিএম।
এসএমপির মিডিয়া সেল জানায়, গত ১১ অক্টোবর রাতে সিলেটের কাষ্টঘর সুইপার কলোনিসংলগ্ন একটি দোকানের পাশের ফাঁকা জায়গায় বচসার জেরে হৃদয় হরিজনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হলে পুুলিশ আসামি ধরার অভিযানে নামে। গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিলেট কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকশ দল ১৫ অক্টোবর সকালে নরসিংদী জেলার মাধবদী থানাধীন পাঁচদোনা মোড়ে অভিযান পরিচালনা করে আসামি ইমন আহমেদ (২৬), রুমান আহমদ সাজ্জাদ (২৫) ও পারভেজকে (২২) গ্রেপ্তার করে। এরা তিনজন হত্যা মামলার আসামি। গ্রেপ্তারের পর তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একসঙ্গে তিন আসামি গ্রেপ্তার করার পর এসএমপির প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের তিন আসামি অপরাধচক্রে জড়িত। চুরি ও ডাকাতি মামলার আসামি তারা। এরমধ্যে ইমন আহমেদের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। রুমান আহমদ সাজ্জাদের বিরুদ্ধে দু্টি চুরির মামলা ও দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পারভেজের বিরুদ্ধে পাঁচটি চুরির মামলা রয়েছে। ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে পুলিশ
সিলেটে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হৃদয় কুমার হরিজন হত্যার বিচার, জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং নিহতের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সমাবেশ করেছেন হরিজন ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, হৃদয় কুমারের পরিবারকে তার আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে সিলেটের সিটি পয়েন্টে আয়োজিত এ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। হরিজন ঐক্য কল্যাণ পরিষদ সিলেট জেলার সভাপতি সুজন বাঁশফোরের সভাপতিত্বে সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়া। সমাবেশে বক্তব্য দেন নিহত হৃদয় কুমারের ছোট বোন নূপুর বাঁশফোর, স্ত্রী পিংকি বাঁশফোর, হরিজন ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সহসভাপতি জাফরু বাঁশফোর, সাধারণ সম্পাদক রাজু লাল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সেহেলী রানী বাঁশফোর ও সন্দীপ বাঁশফোর। সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক রমজান আলী পটু ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালামসহ অন্যরা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, হৃদয় কুমার চার সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতেন।
সিলেট সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর তালিকায় থাকা হৃদয় ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুর পর পরিবারটির ভরণপোষণ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু বিচার নিশ্চিত করলেই হবে না, নিহতের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য হৃদয় কুমারের আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তারা। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন সংগঠনের নেতারা।
খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
দিনাজপুরে দুর্গাপূজায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছে বিজিবি সদস্যরা। পাশাপাশি চলছে বিশেষ নজরদারি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বছর জেলার ১৩টি উপজেলায় ১ হাজার ৩১৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় দিনাজপুরের রামসাগর দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন দিনাজপুর বিজিবি সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মো. ফয়সল হাসান খান।
এ সময় দিনাজপুর ২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুজ্জামানসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে বিজিবি কর্মকর্তারা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
কর্নেল মো. ফয়সল হাসান খান বলেন, ‘সীমান্তঘেঁষা পূজামণ্ডপগুলোতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে জন্য সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা সবার অংশগ্রহণে সার্বজনীন ও আনন্দমুখর হয়ে উঠবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।’
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর জেলার সীমান্তবর্তী ২১৩টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবিলায় সতর্ক রয়েছে বিজিবি। আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিরাপত্তা কার্যক্রম চলবে।
এ বছর দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় ১ হাজার ৩১৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসব ঘিরে মণ্ডপগুলোতে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়ায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাসহ জেলার সর্বত্র শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।
সুলতান মাহমুদ/অলি/
