কালবেলা · দেশ
ওলামা-মাশায়েখ ও বিশিষ্টজনের চোখে কালবেলার ৪ বছর
১৬/১০/২০২৬

‘অগ্রযাত্রার চার বছর’—এই স্লোগানকে ধারণ করে (নবযাত্রার) চার বছরের পথচলা পেরিয়ে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করেছে দৈনিক কালবেলা। শুরু থেকেই এই সংবাদমাধ্যমের পথচলায় সহযাত্রী হয়েছেন দেশ-বিদেশের বিশিষ্টজন, ওলামা-মাশায়েখ, ইসলামী রাজনীতিক, লেখক-বুদ্ধিজীবী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ।
চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কালবেলা পরিবারকে শুভেচ্ছা ও দোয়া জানিয়েছেন তারা। সরাসরি ও ফোনালাপে তাদের অভিমত নিয়েছেন আবু তালহা রায়হান—
পাঠকনন্দিত হয়ে উঠেছে কালবেলা
দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক সালাম ও মুবারকবাদ। বিগত চার বছরে পত্রিকাটি হাঁটি হাঁটি পা পা করে পাঠক নন্দিত হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংবাদমূল্যকে প্রাধান্য দিয়ে সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, আন্তর্জাতিক, দেশীয়, বাণিজ্য, অর্থনীতি, শিক্ষা ও ইসলাম ধর্মসহ বিভিন্ন বিভাগ পত্রিকাটি সুন্দরভাবে পরিচালনা করছে। বিভিন্ন দল ও মতের সংবাদও তারা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করছে। ফলে সাধারণ পাঠকের পাশাপাশি ইসলামি ঘরানার পাঠকদের মধ্যেও পত্রিকাটির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। আমি আশা করি, দৈনিক কালবেলা আগামী দিনেও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণে অবিচল থাকবে এবং একটি বৈষম্যহীন দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা
সত্য, ন্যায়, নৈতিকতা ও জনকল্যাণের আদর্শে অবিচল থাকুক কালবেলা
দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পত্রিকাটির সম্পাদক, সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পাঠকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক সালাম ও মোবারকবাদ।
সংবাদমাধ্যম একটি জাতির বিবেক ও জনমতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলক। পবিত্র কোরআনের নির্দেশনা, তোমরা ন্যায়বিচারে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো—এর আলোকে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান এবং অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করা সাংবাদিকতার অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব।
আমি আশা করি, দৈনিক কালবেলা সত্য, ন্যায়, নৈতিকতা ও জনকল্যাণের আদর্শে অবিচল থেকে দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।
আল্লাহ তাআলা কালবেলার অগ্রযাত্রাকে কল্যাণময় করুন এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে এর ভূমিকা আরও সমৃদ্ধ করুন। আমিন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
নায়েবে আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সংসদ সদস্য, রাজশাহী-১
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় দৃঢ় থাকুক কালবেলা
দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সংবাদপত্রকে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বিবেচনা করা হয়। সমাজে ও রাষ্ট্রের প্রতিটি ঘটনা সংবাদমাধ্যম থেকেই জাতি জানতে পারে। সেজন্য গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ হওয়া আবশ্যক। কোনো ঘটনাকে আদর্শিক বা দলীয় দৃষ্টিকোণে বিবেচনা না করে বরং ঘটনার নিজস্ব গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিবেচনায় সংবাদপত্রে তার প্রতিফলন হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় গণমাধ্যমকে আমরা আদর্শিক ও দলীয় দৃষ্টিকোণে ঘটনার গুরুত্ব কৃত্রিমভাবে হ্রাস ও বৃদ্ধি করতে দেখেছি। একইভাবে দলীয় অবস্থানের ভিত্তিতে শব্দের উদ্দেশ্য প্রণোদিত ব্যবহারে ঘটনাকে ইতিবাচক-নেতিবাচক উপস্থাপনের নজীরও দেখেছি। আমরা কালবেলার কাছ থেকে এসবের বাইরে বস্তুনিষ্ঠতা প্রত্যাশা করি। আমাদের বিশ্বাস কালবেলা বস্তুনিষ্ঠতায় দৃঢ় ও অবিচল নীতি অনুসরণ করে।
সাংবাদিক বন্ধুদের সম্পর্কে আমি আলাদা সম্মান ধারণ করি। রাজনৈতিক সংঘাতে সবাই যখন দৌড়ে পালায় তখন সাংবাদিকদের সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানের কারণেই আমরা ছবি ও ভিডিও পাই। সাংবাদিকেরা এই সাহস না করলে বহু নিপীড়নের তথ্য জাতি জানতে পারতো না। আল্লাহ তায়ালা কালবেলা সংশ্লিষ্ট সকলের নেক আমল কবুল করুন, বেশি বেশি নেক আমল করার তৌফিক দিন এবং জাতির পক্ষে কাজ করার সুযোগ দান করুন।
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম
আমির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
অল্প সময়েই পাঠকমহলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কালবেলা
দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকাটির সম্পাদক, সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক সালাম ও মোবারকবাদ। অল্প সময়ের মধ্যেই দৈনিক কালবেলা পাঠকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পত্রিকাটি দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করছে।
কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা, পত্রিকাটি নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে আগামী দিনেও দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সুন্দর সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সংবাদ পরিবেশনে সত্য ও ন্যায়কে প্রাধান্য দেওয়ার পাশাপাশি দেশ ও জাতির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত শত্রুদের বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক ও সচেতন রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।
আমরা আশা করি, দৈনিক কালবেলা সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘ পথচলা কামনা করছি।
মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমি
সভাপতি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ
জনস্বার্থ ও জবাবদিহি নিশ্চিতে ভূমিকা রাখুক কালবেলা
নবযাত্রার চার বছর পেরিয়ে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করায় দৈনিক কালবেলার সম্পাদক, সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পাঠকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
সত্য ও তথ্যনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরা, জনস্বার্থের বিষয়গুলো সামনে আনা এবং ক্ষমতাসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ দায়িত্ব পালনে দৈনিক কালবেলা আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে, এটাই প্রত্যাশা। কালবেলার উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
মাওলানা মামুনুল হক
আমির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
ধর্মীয় বিষয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখুক কালবেলা
দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকাটির সম্পাদক, সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
একটি গণতান্ত্রিক সমাজে গণমাধ্যমের দায়িত্ব কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরা, সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো এবং তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরিতেও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দৈনিক কালবেলা দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করেছে। পত্রিকাটির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক, এ প্রত্যাশা করি।
বিশেষ করে ধর্ম, ইসলামি শিক্ষা, আলেম-উলামা ও দেশের ইসলামি অঙ্গনের নানা বিষয় নিয়ে কালবেলার কার্যক্রম আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদন ও উদ্যোগও প্রশংসিত হয়েছে। ইসলামি অঙ্গনের ঘটনাপ্রবাহ, চিন্তাভাবনা ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বৃহত্তর পাঠকসমাজের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ ধরনের সাংবাদিকতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে তথ্যের যথার্থতা, নিরপেক্ষতা, ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপন এবং মতপার্থক্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এ ধারার সাংবাদিকতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।
আমি আশা করি, দৈনিক কালবেলা সামগ্রিকভাবে জনস্বার্থ, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করে এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে সব ধর্ম, মত ও বিশ্বাসের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সমাজের বহুমাত্রিক চিন্তা, মূল্যবোধ ও প্রত্যাশাকে যথাযথ গুরুত্ব দেবে। পাশাপাশি কালবেলার ইসলাম ডেস্ক দেশের ইসলামী অঙ্গন, ধর্মীয় শিক্ষা, আলেম-উলামা এবং সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আরও গভীরতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তুলে ধরবে। সংবাদ পরিবেশনে সব মত ও পথের প্রতি ন্যায়সংগত দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার মধ্য দিয়ে পত্রিকাটি পাঠকের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা করি।
কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, জনস্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতা, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকার মধ্য দিয়ে দৈনিক কালবেলা আগামী দিনেও দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখুক।
মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান
সংসদ সদস্য, সিলেট-৫
সদস্য, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, খেলাফত মজলিস
দেশের উন্নয়নে অনুসরণীয় সংবাদমাধ্যম হয়ে উঠুক কালবেলা
তথ্য ও সংবাদ প্রচারে সাম্প্রতিক সময়ে অগ্রসর দৈনিক পত্রিকা কালবেলার জন্য শুভকামনা রইল। এর কর্তৃপক্ষ ও কর্মরত সংবাদকর্মীদের শুভেচ্ছা। দেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধি ও জনগণের জীবনে শান্তি সৌকর্য নির্মাণে চিন্তা ও সংস্কৃতিগত সেবায় সংবাদপত্রের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গঠনমূলক সাংবাদিকতা সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। বাংলাদেশের উন্নয়নে কালবেলা যেন অনুসরণীয় সংবাদমাধ্যমের স্থান দখল করতে সক্ষম হয়, আজকের এই দিনে এই প্রত্যাশা ও দোয়া রইল। বর্তমান সময়ে সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে বাংলাদেশ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার শান্তি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে তার অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবে, এ অভিযাত্রায় প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংবাদপত্রের বড় সহযোগী হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আশা করি, সঠিক রাজনীতির পাশাপাশি দেশে সুস্থ সাংবাদিকতাও বিকশিত হবে।
মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক)
ধর্মীয় মূল্যবোধ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় এগিয়ে যাক কালবেলা
গণমাধ্যম সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরার পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি ও জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পত্রিকাটিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
ইসলামি অঙ্গন, ধর্মীয় শিক্ষা ও আলেম-উলামাদের নিয়ে কালবেলার ইসলাম ডেস্কের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য। আশা করি, এসব বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনে কালবেলা বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে ইসলামি অঙ্গনের বিভিন্ন মত, চিন্তা ও উদ্যোগ যথাযথভাবে তুলে ধরবে।
ধর্মীয় মূল্যবোধ, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিয়ে জনস্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা অব্যাহত থাকুক। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক ভূমিকার মধ্য দিয়ে কালবেলা আগামী দিনেও পাঠকের আস্থা অর্জন করে এগিয়ে যাক—এই প্রত্যাশা।
মুফতী সাখাওয়াত হোসেন রাজী
মহাসচিব, ইসলামী ঐক্যজোট
ধর্মীয় অঙ্গনে কালবেলার কার্যক্রম ইতিবাচক
গণমাধ্যম একটি দেশের জনমত গঠন, জনস্বার্থের বিষয়গুলো তুলে ধরা এবং ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও সত্যনিষ্ঠা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে দৈনিক কালবেলা সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক অঙ্গন ও ধর্মীয় বিষয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাঠকের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে ইসলাম ও ধর্মীয় অঙ্গনের নানা বিষয় পাঠকের সামনে তুলে ধরতে কালবেলার কার্যক্রম বেশ ইতিবাচক। ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আরও দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে কালবেলা পাঠকের আস্থা অর্জন করবে বলে প্রত্যাশা করি।
একটি প্রভাবশালী গণমাধ্যম হিসেবে কালবেলা যেন সব মত ও পথের প্রতি সম্মান রেখে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেয়, কোনো দলীয় বা গোষ্ঠীগত দৃষ্টিভঙ্গির ঊর্ধ্বে থেকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয় এবং দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরে—এটাই প্রত্যাশা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘ পথচলা কামনা করছি।
মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী
যুগ্ম মহাসচিব, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ
কালবেলা যথেষ্ট মনোযোগ ও তৎপরতা ব্যয় করছে
এখন নিয়মিত কাগজের পত্রিকা পড়া হয় না। বেশিরভাগ সময় অনলাইনেই পত্রিকার খবর, ফিচার বা মতামতধর্মী লেখাগুলো দেখা হয়। এর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই কালবেলার প্রতিবেদনগুলো আমার সামনে আসে। আগ্রহের সঙ্গে পড়ি।
সাম্প্রতিক সময়ে যে পত্রিকাগুলো যথেষ্ট মনোযোগ ও তৎপরতা ব্যয় করছে, তার মধ্যে কালবেলা একটি। দৈনিক কালবেলার ইসলামিক ডেস্কের কাজগুলোও যতটুকু দেখেছি, ভালো মনে হয়েছে।
গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে মুসলিম দেশ বা ইসলাম অবহেলার শিকার হয়, অপপ্রচারের শিকার হয়। আমরা দৈনিক কালবেলার কাছে এসব ক্ষেত্রে দুটি পদক্ষেপ আশা করি। একটি হচ্ছে, নিজেরা এজাতীয় জটিলতা বা অসতর্কতা থেকে মুক্ত থাকবে। আরেকটি হচ্ছে, ইসলাম ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এসব বিষয়ে বাজে কোনো প্রচারণা দেখলে সেটা প্রতিরোধ করা এবং সঠিক খবর সামনে নিয়ে আসা। চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবার প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ
লেখক ও গবেষক
মূল প্রতিবেদনে যান ↗