দুর্ঘটনার পরে চোরবাগান সর্বজনীনের পরিস্থিতিছবি: ফেসবুক
Published on
:
1 min read
প্রথম সপ্তমীর সন্ধ্যায় ভিড়ের চাপে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলো চোরবাগান সর্বজনীনে। তার জেরে একাধিক দর্শনার্থী গুরুতর জখম। অসমর্থিত সূত্রে খবর, প্রায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। বহু দর্শনার্থীকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দু’টি হেল্পলাইন নম্বর চালু করল লালবাজার।
লালবাজারের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর কলকাতায় চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য জানতে 18003455678 এবং 03322141310 নম্বরে ফোন করতে পারেন রাজ্যবাসী। চোরবাগানে যাওয়ার পর থেকে অনেকেই আত্মীয়স্বজনের খোঁজ পাচ্ছেন না। তাঁরাও এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ ও চোরবাগান সর্বজনীন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সন্ধ্যায় ঝেঁপে বৃষ্টি শুরু হয়। রাস্তায় ছিল তীব্র যানজট। সেই সময়ে আচমকাই চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপের ভিতরে তীব্র হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে অনেকেই মণ্ডপের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমকল, কলকাতা পুলিশ, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ। আহত দর্শনার্থীদের উদ্ধার করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পরেই আপতত চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিজিও। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কী ভাবে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলো, খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
