নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরায়লে হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচনের আর মাত্র তিন দিন বাকি। এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী।
স্থানীয় সময় শনিবার তেল আভিভের জনবহুল 'হোস্টেস স্কয়ার' প্লাজায় এই সরকারবিরোধী বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। গাজায় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলে এটিই প্রথম সাধারণ নির্বাচন, যা আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গাজায় জিম্মি থাকা পরিবারগুলোর গঠিত 'অক্টোবর কাউন্সিল'-এর ব্যানারে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। মূলত ৭ অক্টোবরের হামলার আগে সরকারের ব্যর্থতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই আন্দোলন।
ইসরায়েলের অন্যান্য অঞ্চলেও সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। তেল আবিবের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রধান মধ্য-ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী এবং 'ইশার' পার্টির নেতা গাদি আইজেনকোটসহ বিরোধী দলগুলোর বিশিষ্ট নেতারা অংশ নেন। এছাড়া 'ডেমোক্র্যাটস' দলের নেতা ইয়ার গোলানও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
আসন্ন মঙ্গলবারের নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জরিপ অনুযায়ী, ২০২২ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা নেতানিয়াহুর ডানপন্থী ব্লক এবং আইজেনকোটের ব্লকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোনো পক্ষই সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নির্ধারণ করবে ইসরায়েল ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালাবে কি না। ধারণা করা হচ্ছে, আইজেনকোট প্রধানমন্ত্রী হলে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে কম আগ্রহী হতে পারেন।
৭ অক্টোবরের হামলার জন্য দায়ীদের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে অক্টোবর কাউন্সিল। তবে নেতানিয়াহুর জোট সরকার একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে একটি রাজনৈতিক কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে, যার অর্ধেক সদস্য সরকার এবং বাকি অর্ধেক বিরোধী আইনপ্রণেতাদের মাধ্যমে মনোনীত হবে। বিরোধীরা এই পক্ষপাতদুষ্ট প্রস্তাবিত কমিশন বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছেন। সূত্র: আল-জাজিরা
আজহার/
আরও পড়ুন
‘আজই’ ইরানে হামলা অথবা হতে পারে ‘বড় ও সুন্দর’ চুক্তি: ট্রাম্প
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ এএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
-->ওয়াশিংটন চাইলে যেকোনো সময়, এমনকি ‘আজকেই’ (রবিবার) ইরানের ওপর হামলা চালাতে পারে অথবা তেহরানের সঙ্গে একটি ‘বড় ও সুন্দর’ চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসলামিক রিপাবলিকের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার কথা বিবেচনা করার গুঞ্জনের মধ্যেই তিনি এই মন্তব্য করেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সম্ভাব্য আক্রমণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে ভাবছি, এমনকি তা আগামীকালও (রবিবার) হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা কি সত্যিই মনে করেন যে আমি হামলা চালাব কি না, তা আপনাদের আগে থেকেই বলে দেব?’
আরও পড়ুন
তবে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর মাধ্যমে ইরান চাইলে এখনো সামরিক সংঘাত এড়াতে পারে। তিনি বলেন, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু আসল সমস্যা হলো-তারা কি সেই চুক্তি টিকিয়ে রাখবে?’
ট্রাম্পের দাবি, তার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ চিরতরে বন্ধ করা। তিনি বলেন, এর আগে বি-২ বোমারু বিমান নিয়ে পরিচালিত মার্কিন অভিযান একটি দীর্ঘস্থায়ী ও স্থায়ী সমাধানের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সংঘাতের সৃষ্টি করে। যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত করার একটি সমঝোতা হওয়া সত্ত্বেও এই সংঘাত এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি।
বর্তমানে ওয়াশিংটন সরাসরি সামরিক হামলায় যাবে নাকি তেহরানের সঙ্গে পুনরায় কূটনৈতিক টেবিলে বসবে-তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি
আজহার/
আরও পড়ুন
‘রাজীবের সুদর্শন চেহারা আকৃষ্ট করেছিল’ সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী আসছে ১০ নভেম্বর
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->প্রথমবার রাজীব গান্ধীকে দেখেই তার সঙ্গে সময় কাটানোর প্রতি একধরনের আকর্ষণ অনুভব করেছিলেন বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। রাজীবের সুদর্শন চেহারার পাশাপাশি তার কোমল স্বভাবও সোনিয়ার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে নিজের আসন্ন বই ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এসব স্মৃতিচারণা করেন সোনিয়া। আগামী ১০ নভেম্বর বইটি প্রকাশিত হবে। এতে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তার স্মৃতি এবং তরুণ বয়স থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জীবনের যাত্রা তুলে ধরা হয়েছে। প্রায় ২ মিনিটের ওই ভিডিওতে সোনিয়া জানান, যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজের একটি গ্রিক রেস্তোরাঁয় রাজীবের সঙ্গে তার প্রথম পরিচয় হয়। সেখান থেকেই তাদের ভালোবাসার গল্পের শুরু। এক্সে প্রকাশিত ভিডিওতে সোনিয়া বলেন, ‘ক্যামব্রিজের একটি ছোট গ্রিক রেস্তোরাঁয় আমার ভালোবাসার যাত্রা শুরু হয়েছিল। রাজীব ও আমি ভালোবাসা, হাসি আর স্মৃতিতে ভরা একটি জগৎ তৈরি করেছিলাম। আগামী ১০ নভেম্বর সেই জগৎ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেব।’
স্মৃতিচারণায় সোনিয়া বলেন, এক বন্ধুর মাধ্যমে রাজীবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া এবং একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের বন্ধুত্ব ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। একবার অনেক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে একটি ভালোবাসা দিবসের অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়েছিলেন তারা। সোনিয়া জানান, সে সময় এখনকার মতো এত রেস্তোরাঁ ছিল না। ইতালীয় খাবারের কাছাকাছি স্বাদের খাবার পাওয়া যায়, এমন জায়গার খোঁজ করছিলেন তিনি। একপর্যায়ে তারা ওই গ্রিক রেস্তোরাঁটির সন্ধান পান। সেখানে ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ভারতীয় শিক্ষার্থীরাও খেতে যেতেন।
আরও পড়ুন
রাজীবের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সোনিয়া বলেন, ‘তার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মনে হয়েছিল, এমন একজন মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে আমার সত্যিই ভালো লাগে। পরে বুঝতে পেরেছিলাম, তার অনুভূতিও একই রকম ছিল।’ রাজীবের ব্যক্তিত্বের কথা বলতে গিয়ে সোনিয়া বলেন, তার সুদর্শন চেহারা তাকে আকৃষ্ট করেছিল ঠিকই, তবে তার কোমল স্বভাবও সোনিয়াকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল।
সোনিয়ার ভাষায়, ‘তাকে খুব কোমল স্বভাবের মানুষ বলে মনে হতো। অবশ্যই তিনি খুব সুদর্শন ছিলেন, কিন্তু তার সেই কোমলতা প্রকাশ পেত। বিষয়টি আমাকে সত্যিই স্পর্শ করেছিল। রাজীবের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সেই স্মৃতি আমি কখনো ভুলব না।
আরও পড়ুন
দেশব্যাপী নতুন দফার বিক্ষোভের মুখে ফ্রান্স, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ফ্রান্সে সরকারের নীতি ও সম্ভাব্য অস্থিরতার আশঙ্কায় দেশজুড়ে নতুন দফার বিক্ষোভ শুরু হতে যাচ্ছে। সম্ভাব্য সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় দেশটির কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং প্রায় ৭০ হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করেছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের তথাকথিত ‘কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা’ এবং জনস্বার্থবিরোধী নীতির প্রতিবাদে ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন আন্দোলনকারী গোষ্ঠী, যার মধ্যে রয়েছে পরিচিত ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলন। প্যারিসের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এবং দেশজুড়ে বিভিন্ন টাউন হলের সামনে জনবহুল বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেস পুলিশ বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। প্যারিস-ভিনসেনের ন্যাশনাল পুলিশ একাডেমি পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, রাজনৈতিক আন্দোলন ও ‘অপরাধী চক্র’গুলোর পক্ষ থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জোরালো চেষ্টা চালানো হতে পারে। সহিংসতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
গত সপ্তাহের সংঘাত ও লুটপাটের ঘটনার পর থেকে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন বড় শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্যারিসের বিখ্যাত শঁজেলিজে এভিনিউর দোকানগুলো সম্ভাব্য ভাঙচুর থেকে রক্ষা করতে ব্যারিকেড দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শহরে সেতু বন্ধ রাখা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের চলাচলের ওপর কার্ফুসহ নানা কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সরকার নির্দিষ্ট কিছু বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিলেও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও বিরোধী দলগুলো এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আইনি লড়াই শুরু করেছে। তা সত্ত্বেও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ট্রেনিং একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীদের পর্যন্ত নিরাপত্তার কাজে যুক্ত করেছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি
আজহার/
আরও পড়ুন
মানুষ মারতে স্টারলিংক ব্যবহার করছে ইউক্রেন: ইলন মাস্ক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ এএম
স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত
-->ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী স্টারলিংকের সার্ভিস টার্মস বা ব্যবহারের শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছে এবং মানুষ হত্যার উদ্দেশ্যে ড্রোন হামলায় এটি ব্যবহার করেছে-এমন অভিযোগ করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ইউক্রেনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক স্টারলিংক এবং এর সামরিক সংস্করণ ‘স্টারশিল্ড’-এর গতি ও সংযোগ স্বাভাবিক হওয়ার পরপরই এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মাস্ক।
গত সপ্তাহে ইউক্রেনে স্টারলিংক ব্যবহারের ওপর হঠাৎ কড়াকড়ি আরোপ করা হয় এবং এর গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, যা দেশটির সামরিক অপারেশন ও ফ্রন্টলাইনের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেয়। এ নিয়ে ইউক্রেন ও পশ্চিমা মহলে ব্যাপক কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে গত শনিবার ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায় যে স্টারলিংক ও স্টারশিল্ডের গতি ও সংযোগ পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং বর্তমানে স্পিড বেশ স্থিতিশীল রয়েছে।
আরও পড়ুন
এই সংযোগ পুনরুদ্ধারের পরই ইলন মাস্ক তার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে সাফ জানিয়ে দেন কেন স্পেসএক্স ওই কড়াকড়ি বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী স্টারলিংকের টার্মস অব সার্ভিস লঙ্ঘন করেছে এবং মানুষ মারার জন্য আক্রমণাত্মক ড্রোন হামলায় এটি ব্যবহার করেছে। গত সপ্তাহেই সেই লুপহোল বা ত্রুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’
ইলন মাস্ক আরও বলেন, বিশ্বের অন্য যে কোনো বেসরকারি কোম্পানির তুলনায় ইউক্রেনের রক্ষায় স্পেসএক্স অনেক বেশি সহায়তা করেছে। যুদ্ধের শুরুর দিকে রাশিয়ার জ্যামিং বা যোগাযোগ ব্লকেড মোকাবিলা করে ইউক্রেনকে পতনের হাত থেকে রক্ষা করেছিল স্টারলিংক। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান ফ্রন্টলাইন রক্ষার জন্য স্টারলিংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি এমন একটি সিস্টেম যা অন্তত আপাতত জ্যাম করা বা ধ্বংস করা সম্ভব নয়। তবে একই সঙ্গে ইউক্রেন সংঘাত দীর্ঘায়িত করার পেছনে ভূমিকা রাখা যুদ্ধবাজ পক্ষগুলোর প্রতি নিজের চরম অবজ্ঞা প্রকাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফ্রন্টলাইনে যোগাযোগ, রসদ ও রুশ ড্রোন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে স্টারলিংক ও স্টারশিল্ডের গুরুত্বের ওপর বারবার জোর দিয়ে আসলেও, মাস্কের এই নতুন অভিযোগ যুদ্ধের মাঠে প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
আজহার/
