ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ, হরমুজ প্রণালিতে দ্বিতীয় সুপারট্যাংকারে আগুন
- রবিবার ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ / ১০ জন দেখেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিক কাউন্টিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ, সুনির্দিষ্ট স্থান কিংবা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রথম বিস্ফোরণের খবর প্রকাশ করে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে গণমাধ্যমগুলো।
এদিকে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাংকার নৌমাইনে আঘাতের পর আগুনে পুড়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। শনিবার এ বিষয়ে প্রকাশিত বিবৃতির বরাতে খবরটি জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম।
আইআরজিসির দাবি, সুপারট্যাংকারটিতে ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। জাহাজটি নৌচলাচল ও রাডার ব্যবস্থা বন্ধ করে একটি ‘অননুমোদিত’ পথ দিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করছিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, নৌমাইনে আঘাতের পর জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এতে জাহাজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়।
তবে জাহাজটির নাম, মালিকানা, পতাকাবাহী দেশ, নাবিকদের অবস্থা এবং সম্ভাব্য পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি আইআরজিসি। এসব তথ্যও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) একই ধরনের আরেকটি সুপারট্যাংকার নৌমাইনে আঘাতের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছিল আইআরজিসি। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি তেলবাহী সুপারট্যাংকারে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার খবর সামনে এসেছে।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি। এ পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ ও জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়তে পারে।
সিরিকের বিস্ফোরণ এবং সুপারট্যাংকারে আগুন লাগার ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

