সংবাদ · সাধারণ
অপ্রাসঙ্গিক কনটেন্ট এড়াতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন সুবিধা
২৫/১০/২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপ্রাসঙ্গিক পোস্ট, ভিডিও
ও অতিরিক্ত
সুপারিশে বিরক্ত
ব্যবহারকারীদের জন্য ফিড সাজানোর নতুন
সুবিধা আনছে
বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টিকটক ও
ইউটিউব ব্যবহারকারীদের
পছন্দ অনুযায়ী
কনটেন্ট দেখানোর
পাশাপাশি অ্যালগরিদমের
ওপর নির্ভরতা
কমিয়ে ফিড
নিয়ন্ত্রণের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে কালানুক্রমিকভাবে পোস্ট দেখানোর পরিবর্তে
অ্যালগরিদমের মাধ্যমে কনটেন্ট সুপারিশের প্রবণতা
বেড়েছে। এতে
ব্যবহারকারীরা নিজেদের আগ্রহের বাইরের নানা
পোস্ট ও
ভিডিও দেখতে
বাধ্য হচ্ছেন
বলে অভিযোগ
রয়েছে। ইউনিভার্সিটি
অব নটর
ডেমের কম্পিউটার
বিজ্ঞান বিভাগের
অধ্যাপক টিম
ওয়েনিংগারের মতে, অনলাইনে কী ধরনের
কনটেন্ট দেখানো
হবে, তা
নির্ধারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা বাড়ার
সঙ্গে সঙ্গে
ব্যবহারকারীদের অসন্তোষও তীব্র হয়েছে।পছন্দমতো ফিড সাজানোর সুযোগব্যবহারকারীদের এই অসন্তোষ
মোকাবিলায় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ফিড নিয়ন্ত্রণের
নতুন ব্যবস্থা
চালু করছে।
এসব সুবিধার
মাধ্যমে কোন
ধরনের কনটেন্ট
বেশি দেখা
যাবে, আর
কোনটি কমানো
বা বাদ
দেওয়া হবে,
তা নির্ধারণ
করতে পারবেন
ব্যবহারকারীরা।ইনস্টাগ্রামে ‘ইউর অ্যালগরিদম’ইনস্টাগ্রামের ‘ইউর অ্যালগরিদম’
ফিচারে ব্যবহারকারীরা
স্বাভাবিক ভাষায় নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ
জানাতে পারেন।
এর মাধ্যমে
নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের কনটেন্ট ফিডে
কমানো বা
বাড়ানোর নির্দেশ
দেওয়া সম্ভব।
ফলে আগ্রহ
অনুযায়ী ফিড
সাজানোর ক্ষেত্রে
ব্যবহারকারীরা আরও সরাসরি ভূমিকা রাখতে
পারেন।টিকটকে বিষয় ও শব্দ নিয়ন্ত্রণটিকটকের ‘ম্যানেজ টপিকস’ এবং ‘স্মার্ট
কিওয়ার্ড ফিল্টারিং’ ফিচার দুটি ব্যবহারকারীদের
কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের
সুযোগ দেয়।
প্রথমটির মাধ্যমে
বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক
কনটেন্টের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
অন্যদিকে, নির্দিষ্ট শব্দ থাকা ভিডিও
ফিড থেকে
বাদ দিতে
সহায়তা করে
স্মার্ট কিওয়ার্ড
ফিল্টারিং।ইউটিউবে আগ্রহভিত্তিক কাস্টম ফিডইউটিউবের ‘কাস্টম ফিড’ ফিচারে দর্শকেরা
নিজেদের আগ্রহ
অনুযায়ী আলাদা
ট্যাব তৈরি
করতে পারেন।
ওয়ার্কআউট কিংবা এএসএমআরের মতো নির্দিষ্ট
বিষয় বেছে
নিয়ে ফিড
সাজানোর সুযোগ
রয়েছে এতে।
ফলে পছন্দের
কনটেন্ট খুঁজে
পাওয়ার অভিজ্ঞতা
আরও ব্যক্তিগত
করা সম্ভব।ফিড নিয়ন্ত্রণেও
থাকছে চ্যালেঞ্জব্যবহারকারীরা কোন ধরনের
কনটেন্ট দেখতে
চান, সে
বিষয়ে তাঁদের
বক্তব্য সব
সময় অনলাইন
আচরণের সঙ্গে
মেলে না
বলে মনে
করেন বিশেষজ্ঞরা।
অনেক ক্ষেত্রে
মানুষ যে
কনটেন্ট অপছন্দ
করেন বলে
জানান, বাস্তবে
সেটিতেই বেশি
প্রতিক্রিয়া দেখান। নেতিবাচক কনটেন্টের প্রতি
বেশি সাড়া
দেওয়ার প্রবণতাও
অ্যালগরিদমের কনটেন্ট নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে
পারে।ফলে শুধু
ব্যবহারকারীর দেওয়া পছন্দের তালিকার ভিত্তিতে
ফিড সাজানো
সব সময়
কার্যকর নাও
হতে পারে।
একই সঙ্গে
অ্যালগরিদমের সুপারিশের মাধ্যমে নতুন কনটেন্ট
খুঁজে পাওয়ার
সুবিধাও বজায়
রাখা প্রয়োজন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সামনে
তাই বড়
চ্যালেঞ্জ হলো ব্যক্তিগত আগ্রহ অনুযায়ী
কনটেন্ট দেখানোর
সুবিধা এবং
ব্যবহারকারীর নিজের ফিডের ওপর নিয়ন্ত্রণ
- এই দুইয়ের
মধ্যে ভারসাম্য
তৈরি করা।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗