Published : 17 Oct 2026, 01:20 PM
Updated : 17 Oct 2026, 12:46 PM
বিকেল হলেই পাড়ার মাঠে ছুটে যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে দৌড়ঝাঁপ, লুকোচুরি কিংবা ফুটবল খেলা। শৈশবের এমন স্মৃতিগুলো আমাদের অনেকের কাছেই আনন্দের। কিন্তু পড়াশোনা, বাড়ির কাজ, কোচিং আর মুঠোফোনের ব্যস্ততায় খেলাধুলার জন্য সময় বের করা কি কঠিন হয়ে যাচ্ছে?
খেলাধুলা শুধু শরীর ভালো রাখার উপায় নয় এটি আনন্দের সঙ্গে শেখারও একটি মাধ্যম। বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে আমরা দলবদ্ধভাবে কাজ করা, নিয়ম মেনে চলা, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং হার-জিত মেনে নিতে শিখি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৬০ মিনিট মাঝারি থেকে জোরালো শারীরিক কর্মকাণ্ড করা উচিত। এর মধ্যে খেলাধুলা ও দৌড়ঝাঁপও রয়েছে।
কিন্তু সবার জন্য খেলাধুলার সুযোগ সমান নয়। কোথাও খেলার মাঠের অভাব, কোথাও যানবাহন ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। আবার পড়াশোনার চাপ কিংবা দীর্ঘ সময় মুঠোফোন ব্যবহারের কারণে অনেকের খেলাধুলার সময় সীমিত হতে পারে।
আমার মনে হয়, শিশুদের ভালো ফল করার পাশাপাশি আনন্দ নিয়ে বেড়ে ওঠার সুযোগও প্রয়োজন। সে জন্য পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উচিত পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার জন্য সময় রাখা। এলাকার মাঠ ও খেলার জায়গাগুলোও শিশুদের জন্য নিরাপদ রাখা জরুরি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: গাজীপুর।
