Published on
:
1 min read
এই ফিল্ম সমকালীন সমাজে পারিবারিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান জটিলতা, বার্ধক্যের নিঃসঙ্গতা এবং মানবিক সংযোগের প্রয়োজন নিয়ে কথা বলে। দ্রুতগতির কর্পোরেট জীবন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক মূল্যবোধ এবং সময়ের নির্দয় প্রবাহের মধ্যে মানুষ কী ভাবে ধীরে-ধীরে একে অন্যের থেকে মানসিক ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, সেই গল্পই পর্দায় তুলে ধরবেন পরিচালক।
ছবির গল্প এ রকম— স্বামীকে হারিয়ে এক বয়স্কা মহিলা বাস করে এক বিশাল বাড়িতে। তার সঙ্গে থাকে পালিতা কন্যা নীলু এবং বহুদিনের আশ্রিত হরিদা। তার একমাত্র মেয়ে পল্লবী বেঙ্গালুরুতে কর্মব্যস্ত কর্পোরেট জীবনে প্রতিষ্ঠিত। দায়িত্ববোধ থাকলেও পেশাগত চাপ, সময়ের অভাব এবং ক্রমবর্ধমান মানসিক দূরত্ব তাকে মায়ের জীবন থেকে ক্রমশ সরিয়ে দেয়। এই বয়স্কার মহিলার চরিত্রে দেখা যাবে মাধবী মুখোপাধ্যায়কে। অন্য দিকে এক প্রবীন বিপত্নীকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন দীপঙ্কর দে। এক িবশেষ চরিত্রে দেখা যাবে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে। ছবির প্রসঙ্গে
মাধবী বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে একটু সাহিত্য পড়তে বলব। আগে তো সাহিত্যনির্ভর কাহিনি নিয়েই ফিল্ম হতো। তাই বর্তমান যুগের পরিচালকদের সাহিত্য পড়তে বলব।’ মাধবীর মেয়ের চরিত্রে রয়েছেন অভিনেত্রী সঙ্গীতা দাস। তাঁর কথায়, ‘অভিনেত্রী হিসেবে আমার কাছে বড় প্রাপ্তি মাধবী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করাটা। গল্পে মা-মেয়ের সম্পর্কে দূরত্ব দেখা যাবে। কিন্তু এমন নয় যে আমার চরিত্রটা মাকে অবহেলা করে। আসলে ব্যস্ততার যুগে সে সময় পায় না।’
সাবিত্রীর কথায়, ‘সন্তানরা বড় হলে মা-বাবাদের পাশে সে ভাবে থাকে না বা থাকতে পারে না। কর্মব্যস্ততার কারণে। তার পর জীবনে সঙ্গী আসে, তখন তারা নিজেদের নতুন জীবন শুরু করে। বাবা-মা সন্তানের অপেক্ষায় দিন গুনতে থাকেন। এই ছবির গল্পটাও তেমনই।’
