এএফসির মূল পর্বে খেলতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ নারী অ-১৭ দল। এবার পুরুষ দলের সেই বাছাই পর্ব পার হওয়ার মিশন। নারী দলের মতো পুরুষ দলও জর্ডানে খেলবে প্রস্তুতি ম্যাচ। জর্ডানের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার আগে আজ বিকেলে বাফুফে ভবনে হয়েছে সংবাদ সম্মেলন।
বাংলাদেশ অ-১৭ দলের হেড কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ বলেন, ‘আমরা অবশ্যই মূল পর্বে খেলার লক্ষ্যে যাব। আমাদের দলে মেধাবী ফুটবলার রয়েছে। প্রস্তুতিও হয়েছে ভালো, জর্ডানে দু’টি ম্যাচ খেলব। সব মিলিয়ে আমরা আশাবাদী।’
ডাচ কোচ ক্রুইফ বিভিন্ন মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয় দলকে বছর চারেক কোচিং করিয়েছেন। দশ বছর পর অ-১৭ দলের কোচ হয়ে এসেছেন শুধু এএফসি বাছাই টুর্নামেন্টের জন্যই। অভিজ্ঞ কোচ এই টুর্নামেন্টে অতিরিক্ত চাপে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে ক্রুইফ বলেন, ‘পেশাদার ফুটবলে সব জায়গায় চাপ রয়েছে। আমি জানি, ব্যর্থ হলে সমালোচনা হবে। সেটা নিতে আমি প্রস্তুত রয়েছি।’
৮ নভেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এএফসি অ-১৭ বাছাই চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে। বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে সিরিয়া, ম্যাকাও ভুটান ও স্বাগতিক আরব আমিরাত। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলই মূল পর্বে খেলবে।
কোচ চূড়ান্ত পর্বে খেলার আশাবাদ ব্যক্ত করলেও বাস্তবতা বেশ কঠিন। বাংলাদেশ বিগত কয়েক আসরে বাছাই থেকেই বাদ পড়েছে। অ-১৭ দলের বর্তমান অধিনায়ক আলিফ রহমান ইমতিয়াজও কোচের সূরে বলেন, ‘আমরা কোয়ালিফাইয়ের উদ্দেশ্যেই রওনা হচ্ছি।’
ক্রুইফ বাংলাদেশের ফুটবল সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত। এক দশক পর বাংলাদেশে এসে মাস খানেক কোচিং করিয়ে তার উপলব্ধি, ‘জাতীয় ও জুনিয়র দলে পার্থক্য রয়েছে। আমি এই দলের ভবিষ্যৎ ভালোই দেখি।’
বাংলাদেশে আসা বিদেশি ফুটবল কোচদের প্রায় সবাই মেধাবী ফুটবলার আখ্যায়িত করেন। পরবর্তীতে সেটা তেমন পরিস্ফুটিত হয় না। সংবাদ সম্মেলন শেষে ক্রুইফ সাংবাদিকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলাপে বাংলাদেশের ফুটবলে ইতালি, ডাচ এবং ইংলিশ নানা স্টাইল ঘন ঘন পরিবর্তনে প্রভাবের কথা বলছিলেন।
এজেড/এমএমএম
