Published on
:
2 min read
সিনেমা, সঙ্গীত আর ফ্যাশন— তিনের মেলবন্ধনে নিজের মতো করে পথ চলছেন পরিচালক শ্রেষ্ঠা গঙ্গোপাধ্যায়। জন্ম ভারতে, বেড়ে ওঠা দুবাইয়ে। তাই তাঁর জীবনযাপনে যেমন রয়েছে আন্তর্জাতিকতার ছোঁয়া, তেমনই বাঙালি সংস্কৃতি ও শিকড়ের প্রতি টানও অটুট। আর দুর্গাপুজো এলেই সেই টান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে। তাঁর কাছে পুজো মানে শুধুই উৎসব নয়, বরং স্মৃতি, আবেগ, পরিবার এবং নিজের সংস্কৃতিকে নতুন করে ছুঁয়ে দেখার মুহূর্ত।
একটি নামী মিউজ়িক স্টুডিয়োর ব্যানারে প্রকাশিত তাঁর মিউজ়িক্যাল প্রজেক্ট ‘মিষ্টি মেয়ে’ এবং ‘প্রণয়ের আজান’ ইতিমধ্যেই তাঁর ক্রিয়েটিভ জার্নিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শন বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিবৃতি চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে দুবাইয়ে শুট করা তাঁর আগামী ছবি মুক্তির অপেক্ষায়। পাশাপাশি রিচা শর্মা, হিতেন তেজওয়ানি ও কৌশিক সেনকে নিয়ে আরও একটি কাজ তৈরি হচ্ছে, যা উৎসবের মঞ্চ ঘুরে ওটিটি-তে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। রাজস্থানের মনোরম প্রেক্ষাপটে শুট করা নতুন মিউজ়িক ভিডিয়ো ‘পিবারিয়া’ও মুক্তির অপেক্ষায়। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও শ্রেষ্ঠার মনে জায়গা করে নেয় পুজোর চেনা আবহ।
Ei Samay
দুবাইয়ে ছোটবেলায় পুজো কাটানোর স্মৃতি আজও তাঁর কাছে অমূল্য। কলকাতার পুজোর প্রতি টান, প্রিয় দাদুর সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত এবং আহিরীটোলায় তাঁর দিদার পৈতৃক বাড়ির সাড়ে তিনশো বছরেরও বেশি পুরোনো দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য তাঁকে বারবার ফিরিয়ে নিয়ে যায় শিকড়ের কাছে। দাদুর অনুপস্থিতি পুজোর সময়ে আরও বেশি অনুভব করেন তিনি। পুরোনো বাড়ি, পারিবারিক মিলন আর সাবেকি রীতিনীতির স্মৃতি তাঁর কাছে উৎসবের আবেগকে আরও গভীর করে।
Ei Samay
পুজোর ফ্যাশনে শ্রেষ্ঠার পছন্দ সাবেকি ভারতীয় পোশাক। তাঁর বিশ্বাস, উৎসবের সাজে দেশীয় হ্যান্ডলুম, তাঁতি ও কারিগরদের শিল্পকে তুলে ধরা জরুরি। এই ধরনের পোশাক তাঁর কাছে শুধু পোশাক নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা শিল্পসত্তার উদ্যাপন। ভোগের স্বাদ, সন্ধিপুজোর আবহ, ঢাকের আওয়াজ, ধূপের গন্ধ আর সন্ধ্যার আরতির আলো— এই সব কিছুর মধ্যেই তিনি খুঁজে পান পুজোর আসল আনন্দ।
Ei Samay
মেকআপ: শুভম | ছবি: আয়তি রায় | স্টাইলিং: সাগর দাস | পোশাক: সানা আলি, শ্বেতা আগরওয়াল | লোকেশন সৌজন্য: অফবিট সিসিইউ, আয়োজক: অভিরূপ সেনগুপ্ত
