বাঁদরের বাঁদরামিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন হরিয়ানার একটি এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ ছিল, কিছু দিনের মধ্যেই এলাকার বহু মানুষকে আঁচড়ে-কামড়ে দিয়েছে সেই দুষ্টু বাঁদর। তাই বাঁদরটিকে ধরতে পারলে ৫১ হাজার টাকা পুরষ্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন পুরসভার চেয়ারপার্সনের স্বামী। প্রায় ১০ দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে বাঁদরটিকে বাগে আনা হয়। ঘটনা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা যায় উল্লাস। সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি হরিয়ানার হাথিন এলাকায় ঘটেছে। স্থানীয় পুরসভার চেয়ারপার্সনের স্বামী বাঁদরটিকে ধরতে পারলে পুরষ্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ফলে, স্থানীয়দের মধ্যে বাঁদরটিকে পাকড়াও করার আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। জানা গিয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যেই বহু মানুষকে কামড়ে দিয়েছিল বাঁদরটি। যাঁদের কামড়াতে পারেনি, তাঁদের আঁচড়ে দিয়েছে। সেই কারণেই বাঁদরটি ধরা পড়লে এলাকার বাসিন্দাদের আনন্দে রীতিমতো উল্লাস করতে দেখা যায়।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক ব্যক্তি বাঁদরটির হাত ধরে সেটিকে পিঠে ঝুলিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সেই ব্যক্তির পিছনে হইহই করে এগিয়ে চলেছেন এলাকার বাসিন্দারা। কেউ হাতে লাঠি নিয়ে, কেউ আবার খালি হাতেই বাঁদর ধরার আনন্দে সামিল হয়েছেন। দুই ব্যক্তি এগিয়ে গিয়ে বাঁদরটিকে চড়ও মারলেন। বাঁদরটি চুপচাপ ঝুলে রইল। এক বারের জন্যও কাউকে কামড়াতে গেল না। মুক্তি পাওয়ার চেষ্টাও করল না সে। এর পর সেই ব্যক্তি বাঁদরটিকে নিয়ে বাইকে বসে সেখান থেকে চলে গেলেন।
‘ঘরকেকলেশ’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০ হাজার বার ভিডিয়োটি দেখা হয়েছে। প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। অধিকাংশ নেটাগরিক বাঁদরটিকে কেন এ ভাবে মারা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভিডিয়োটি নেটপাড়ায় বন্যপ্রাণের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
