বাংলাদেশকে ব্যাটাররাই ডুবিয়েছেন। আফগানিস্তানের লক্ষ্য খুব ছিল না, ১৬১ রানের। সেই লক্ষ্য ৮৭ বল হাতে রেখে ৩ উইকেট হারিয়েই পেরিয়ে গেছে আফগানরা।
৭ উইকেটের সহজ জয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে উঠেছে আফগানিস্তান। টানা দুই হারে বাংলাদেশের বিদায় হয়ে গেছে। ফলে ফাইনালে আফগানদের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশকে হারানো জিম্বাবুয়ে।
বিজ্ঞাপন
রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৬) আর সেদিকুল্লাহ অটলকে (৪) বোল্ড করে লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। তবে ইব্রাহিম জাদরান, রহমত শাহ আর হাশমতউল্লাহ শহিদির ব্যাটে জয় পেতে কষ্ট হয়নি আফগানদের।
জাদরান ৩৪ করে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন। তবে রহমত আর শহিদি অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। রহমত ৬৭ আর শহিদি ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে ২৮ রানে ছিল না বাংলাদেশের ৪ উইকেট। সেখান থেকে সাইফ হাসান আর পারভেজ হোসেন ইমন লড়াই করলেন। কিন্তু সেই লড়াই জলাঞ্জলি দিলেন বাকি ব্যাটাররা। ফলে মাত্র ১৬০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
শারজায় টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দলের টপ অর্ডার ব্যাটাররা সেই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে পারেননি। ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৬ বলে ১ রান করে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হন তানজিদ হাসান তামিম। প্রথম বলেই বোল্ড সৌম্য সরকার (০)। নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা সময় টিকে ছিলেন। কিন্তু ১৫ উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েন তিনি। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ২ বল খেলে ০, ফেরেন বোলার ওমরজাইকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে।
বিজ্ঞাপন
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন সাইফ হাসান আর পারভেজ হোসেন ইমন। ১৪৬ বল খেলে তারা গড়েন ৯৩ রানের জুটি। এর মধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন ইমন। কিন্তু এর পরপরই ধৈর্য হারিয়ে বসেন সাইফ। ডাউন দ্য উইকেটে মোহাম্মদ নবির ওপর চড়াও হতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন আকাশে। ৪১ রানে ফিরতে হয় সাইফকে।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ উচ্চাভিলাষী শট খেলতে গিয়ে ফেরেন ২ রান করে। পারভেজ হোসেন ইমন একটা প্রান্ত ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রশিদ খানের ঘূর্ণির কাছে তাকেও পরাস্ত হতে হয়। ৯৬ বলে ৫ চার আর ২ ছক্কায় ৭০ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ আর বেশিদূর এগোতে পারেনি। ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে অলআউট হয় তাওহীদ হৃদয়ের দল।
আফগানিস্তানের রশিদ খান ৪টি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই আর ইয়ামিন আহমেদজাই নেন ২টি করে উইকেট।
এমএমআর/এমআইএইচএস
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
