নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কাজ করছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে শেরপুর জেলা শহরের গোপাল জিউর মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাসুদ রানা।
তিনি বলেন, সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
শেরপুরের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে মো. মাসুদ রানা বলেন, জেলার ১৬৭টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি এসআরবির সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শেরপুর সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এর তিনটি উপজেলা দিয়ে প্রায়ই মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ করে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো চক্র যাতে মাদকের বিস্তার ঘটাতে না পারে, সে জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এসআরবির গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।
অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, দুর্গাপূজাকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
এ সময় জামালপুর এসআরবি-১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর লাবিদ আহমেদসহ এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যে আই
