ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সৌদি আরবে হামলা জোরদার হওয়ার মধ্যে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবে কর্মরত জরুরি নয় এমন মার্কিন সরকারি কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেছে।”
তিনি আরও লিখেছেন, “ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমানভাবে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলাও রয়েছে, যার ফলে বেসামরিক নাগরিক হতাহত হচ্ছেন এবং যাতায়াতব্যবস্থায় গুরুতর বিঘ্ন ঘটছে।”
ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবে তাদের উপস্থিতি কমিয়ে আনছে। পাশাপাশি, হুথিদের হুমকির জবাবে অঞ্চলটির আরও কয়েকটি মার্কিন কূটনৈতিক মিশনও তাদের জনবল পুনর্বিন্যাস করছে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন একটি সূত্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “এটি হুথিদের বিষয়।”
বুধবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে সম্ভাব্য হামলা এবং সাধারণ যাতায়াতব্যবস্থায় বিঘ্নের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিদের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য এই বার্তা দেয়া হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সৌদি সামরিক স্থাপনা, তেল অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক নৌযান চলাচল।
নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, “সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) হামলার পর সৌদি আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের দেশটির যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য মিশনপ্রধানের কাছ থেকে বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।”
