নানা পাটেকরের মৃত্যুর মাত্র চারদিনের মধ্যেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন তাঁর সহ-অভিনেত্রী। 'যশবন্ত' ছবিতে নানার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মধু কাম্বিকর। ৭৩ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন এই মারাঠি অভিনেত্রী।
জানা যাচ্ছে, পুণেতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা এবং প্যারালাইটিক স্ট্রোকের জেরে তৈরি হওয়া নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই শিল্পী। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে মারাঠি চলচ্চিত্র, নাটক, দূরদর্শন ধারাবাহিক এবং লোকশিল্পের আঙিনায় এক উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিলেন মধু কাম্বিকর। বিশেষ করে মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য 'লাবণী' পরিবেশনায় তাঁর দক্ষতা এবং অনন্য অবদানের জন্য তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে 'হেচ মাজা মহের', 'ঝাপাতলেলা', 'দেবু', 'এক হোতা বিদূষক' এবং 'ইউ কা ঘরের'।
তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিনোদন জগতে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এক্স-এ একটি পোস্ট করে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, 'প্রবীণ অভিনেত্রী মধুজির প্রয়াণের খবরটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি চলচ্চিত্র, লোকনাট্য, বাণিজ্যিক নাটক এবং টেলিভিশন ধারাবাহিকে বহু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তাঁর অভিনীত চরিত্রগুলো দর্শকদের স্মৃতিতে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।'
https://www.youtube.com/watch?v=TTaC77AoBTQ
তিনি আরও লিখেছেন, অভিনয় ও নৃত্যের এক অপূর্ব মিশ্রণের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে যুক্ত লোকশিল্পগুলোকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে শিল্পকলার ক্ষেত্রে সক্রিয় থেকে তিনি মারাঠি বিনোদন জগতকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁর এই অবদান সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমি তাঁর প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তাঁর পরিবার এবং অনুরাগীদের এই গভীর শোকে আমরা সমব্যাথী।'
