স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে কালীগঞ্জ শহরে আগে থেকেই মানুষের ব্যাপক সমাগম ও যানবাহনের চাপ ছিল। এমন পরিস্থিতিতে শহরের প্রধান বাসস্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কে জামায়াতের মানববন্ধন শুরু হলে অল্প সময়ের মধ্যেই যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে পূজার দর্শনার্থী ও দূরপাল্লার গণপরিবহন দীর্ঘ সময় যানজটে আটকা পড়ে।
এ ঘটনায় সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, কর্মসূচি সম্পর্কে স্থানীয় থানা ও উপজেলা প্রশাসন আগে থেকে কিছুই জানত না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, মানববন্ধনের বিষয়ে তাঁদের কাছে কোনো পূর্বতথ্য ছিল না। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, কর্মসূচি পালনের আগে প্রশাসনকে কোনো অনুমতি বা তথ্য দেওয়া হয়নি।
এদিকে, মানববন্ধন চলাকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিও চোখে পড়েনি বলে জানা গেছে। প্রশাসনিক নিয়মনীতি অনুসরণ না করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এমন কর্মসূচি আয়োজন করায় সচেতন নাগরিকদের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্গাপূজার মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবের সময়ে শহরের প্রধান সড়কে এ ধরনের কর্মসূচি সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটিয়েছে। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ এড়ানো এবং প্রশাসনিক বিধিবিধান মেনে চলা জরুরি।
একটি সংবেদনশীল ধর্মীয় উৎসবের সময়ে প্রশাসনকে অবহিত না করে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মানববন্ধন আয়োজন কতটা দায়িত্বশীল আচরণ, তা নিয়ে কালীগঞ্জজুড়ে আলোচনা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
The post দুর্গাপূজার মধ্যে কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে জামায়াতের মানববন্ধন, তীব্র যানজটে ভোগান্তি appeared first on ভোরের চেতনা.
