প্রধানমন্ত্রী যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলতে পারেন এবং ইশরাকের পদত্যাগ সংবিধান অনুযায়ীই সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, এই পদত্যাগের প্রক্রিয়ায় আইনের কোনো ধরনের ব্যত্যয় বা লঙ্ঘন ঘটেনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা ডাকবাংলোয় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার এখতিয়ার রাখেন। ইশরাক সংবিধান ও নির্ধারিত নিয়ম মেনেই পদত্যাগ করেছেন। এটি পুরোপুরি একটি সাংবিধানিক বিষয় এবং এতে আইনগত কোনো ত্রুটি নেই।
তিনি আরও বলেন, ইশরাক যদি নিজে থেকে পদত্যাগ না করতেন, তবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে তাকে পদচ্যুত করার অনুরোধ জানাতে পারতেন, যা সাংবিধানিক কাঠামোরই অংশ।
সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, একটি সরকার যখন দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তখন কাকে দায়িত্বে রাখা হবে আর কাকে দায়িত্ব থেকে সরানো হবে, সেটি পুরোপুরি সরকারের নিজস্ব বিচার-বিবেচনার বিষয়।
মহেশপুরে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সরকারের নানা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
