ভিনিসিয়াস জুনিয়রছবি: instagram/vinijr
Published on
:
2 min read
কয়েক সেকেন্ডের ক্ষণিকের উত্তেজনাই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জন্য। প্রতিপক্ষ ফুটবলারের চুল টানা ও পরবর্তীতে ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে বিতর্কে জড়ানোর দায়ে ব্রাজ়িলীয় ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়াসকে চার ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করেছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (RFEF) শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। এর ফলে মরশুমের প্রথম এল ক্লাসিকো থেকে ছিটকে গেলেন তিনি।
কী ভাবে বিতর্কে জড়ালেন ভিনিসিয়াস?
ঘটনার সূত্রপাত সান্তিয়াগো বের্নাবিউতে ভিয়ারিয়ালের বিরুদ্ধে রিয়াল মাদ্রিদের ১-০ গোলে জয়ের ম্যাচে। ম্যাচের ৫২তম মিনিটে ডাগআউট থেকে পরিবর্ত ফুটবলার হিসেবে মাঠে নামানো হয়েছিল ভিনিসিয়াসকে। মাঠে নামার প্রায় ২০ মিনিটের মাথায় একটি গোল করে দলকে এগিয়েও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। VAR-এ রেফারি দেখতে পান, গোলের ঠিক আগের মুহূর্তে ভিয়ারিয়াল ডিফেন্ডার নাথান সালিবার সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ভিনিসিয়াস সালিবার মাথার চুল টেনে ধরেছিলেন।
স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধির ১৩০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের ফুটবলারের চুল টানা সরাসরি ‘হিংসাত্মক আচরণ’-এর আওতায় পড়ে। এর জেরে মাঠের মনিটর দেখে তৎক্ষণাৎ গোল বাতিল করেন রেফারি এবং ভিনিসিয়াসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার সময় রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও তাঁদের দিকে তেড়ে যাওয়া পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। চুল টানার ঘটনায় বল ছাড়া আচরণের জন্য দুই ম্যাচ এবং ম্যাচ রেফারির সঙ্গে তর্ক করার জন্য আরও দুই ম্যাচের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ভিনিকে।
কোন কোন ম্যাচে খেলতে পারবেন না ভিনিসিয়াস?
এই নির্বাসনের কারণে লা লিগায় আগামী চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করবেন ভিনিসিয়াস। তিনি খেলতে পারবেন না সেভিয়া, বার্সেলোনা, রেসিং সান্তান্দার এবং ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে।
এই শাস্তি রিয়াল মাদ্রিদের জন্য এক বিরাট ধাক্কা। কারণ লা লিগার শিরোপা দৌড়ে বার্সেলোনার চেয়ে এমনিতেই বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে হোসে মোরিনহোর দল। লিগে নিজেদের প্রথম আট ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২৪ পয়েন্ট ও ৩৪ গোল করে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে হান্সি ফ্লিকের বার্সেলোনা। অন্যদিকে আট ম্যাচে দুই পরাজয় নিয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চার নম্বরে ধুঁকছে রিয়াল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে ৬ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা রিয়ালের সামনে এল ক্লাসিকোই ছিল ব্যবধান কমানোর সেরা সুযোগ। সেই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে দলের এক নম্বর স্ট্রাইকারকে না পাওয়া মোরিনহোর স্ট্র্যাটেজি ধাক্কা খাবে।
